রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত সবুজ মিয়ার মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে পাটগ্রাম  উপজেলার নাজিরগোমানী সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩–এস  এর নিকট দিয়ে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি বাংলাদেশের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় স্থানীয় বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি, পাটগ্রাম থানা পুলিশ এবং নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আজ  বৃহস্পতিবার ভোররাতে  পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের শমসেরনগর এলাকার পচাভান্ডার  সীমান্তের ৮৬৪/৫ নং মূল সীমানা পিলারের নিকট এ ঘটনা ঘটে। কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিক ভারতীয় গরু আনার জন্য ওই সীমান্তের কাছাকাছি শূন্যরেখায় প্রবেশ করে। এ সময় সীমান্তে দায়িত্বে থাকা ভারতীয় ১৫৬ চেনাকাটা ক্যাম্পের বিএসএফের দল তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে।এতে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে সবুজ মিয়া (৩০) মারা যান। তার সঙ্গীরা পালিয়ে এলেও, সবুজের মরদেহটি নিয়ে যায় বিএসএফ। পরে বিজিবি ও বিএসএফ এর পতাকা অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতেই মরদেহটি বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। নিহত সবুজ ইসলাম পঁচাভান্ডার গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
জনপ্রিয়

তাহসান-রোজার সংসার কী কারণে ভাঙছে

বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ

প্রকাশের সময় : ১০:৪৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত সবুজ মিয়ার মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে পাটগ্রাম  উপজেলার নাজিরগোমানী সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩–এস  এর নিকট দিয়ে ভারতীয় পুলিশ মরদেহটি বাংলাদেশের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় স্থানীয় বিওপি ক্যাম্পের বিজিবি, পাটগ্রাম থানা পুলিশ এবং নিহতের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আজ  বৃহস্পতিবার ভোররাতে  পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের শমসেরনগর এলাকার পচাভান্ডার  সীমান্তের ৮৬৪/৫ নং মূল সীমানা পিলারের নিকট এ ঘটনা ঘটে। কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিক ভারতীয় গরু আনার জন্য ওই সীমান্তের কাছাকাছি শূন্যরেখায় প্রবেশ করে। এ সময় সীমান্তে দায়িত্বে থাকা ভারতীয় ১৫৬ চেনাকাটা ক্যাম্পের বিএসএফের দল তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে।এতে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে সবুজ মিয়া (৩০) মারা যান। তার সঙ্গীরা পালিয়ে এলেও, সবুজের মরদেহটি নিয়ে যায় বিএসএফ। পরে বিজিবি ও বিএসএফ এর পতাকা অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাতেই মরদেহটি বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। নিহত সবুজ ইসলাম পঁচাভান্ডার গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।