
পবিত্র রমজান মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র ও বরকতময় মাসগুলোর একটি। প্রতি বছর এ মাসকে ঘিরে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু হয় অনেক আগেই। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও দৃষ্টি যাচ্ছে ২০২৬ সালের রোজা কবে শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে।
দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের (আইএসিএডি) হিজরি-টু-গ্রেগরিয়ান তারিখ রূপান্তর ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে, যেখানে প্রথম রোজা হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। সে হিসাবে রোজা শুরু হতে আজ (১২ ডিসেম্বর) থেকে এখনো ৬৯-৭০ দিন বাকি।
যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ শুরু হয়, তাই বাংলাদেশে ২০ ফেব্রুয়ারি রমজানের প্রথমদিন এবং ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর পালন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসলাম ধর্মে রোজা বা সিয়াম হলো একটি ফরজ ইবাদত, যেখানে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাবার, পানীয়, শারীরিক সম্পর্ক এবং নৈতিকভাবে অনুচিত সব আচরণ থেকে বিরত থাকে। রোজা শুধু খাদ্য-পানীয় থেকে বিরত থাকার নাম নয়; বরং নিজের আচরণ, চিন্তা, দৃষ্টি ও জিহ্বাকে সংযত রাখার নাম।
রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। এই ইবাদতের মাধ্যমে একজন মুসলমান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে এবং নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। রোজা ধৈর্য, আত্মসংযম ও নৈতিক উন্নতির পথ দেখায়। পাশাপাশি ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভবের মাধ্যমে গরিব-দুঃখীদের প্রতি সহানুভূতি ও দানের মনোভাব বৃদ্ধি করে। রমজান মাসকে আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস বলা হয়, যেখানে প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান বহু গুণ বৃদ্ধি করা হয়।
ধর্ম ডেস্ক 







































