শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা কেউ এখন নিরাপদ নই: মোমিন মেহেদী

নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, হাদির উপর এমন নির্মম হামলাই প্রমাণ করেছে ড. ইউনূস সরকারের সময়ে আমরা কেউ এখন নিরাপদ নই। ১৩ ডিসেম্বর বিকেলে নতুনধারার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি তারাগঞ্জের রংপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বপরিবারে হত্যাকা-ের কথা স্মরণ করে বলেন, নির্মম হলেও সত্য যে, যেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বপরিবারে হত্যা করলেও কেউ যখন কোনো কথা বলেনি, তখনই খুনীরা সুযোগ পেয়েছে, সেই সুযোগে তারা হাদিকে গুলি করেছে। আগামীতে হয়তো আরো অনেকের উপরই এমন হামলা হতে পারে। কারণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছেন প্রতিটি পদক্ষেপে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা, আল আমিন বৈরাগী প্রমুখ। এসময় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, গত ১৫ মাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশকে চড়াও হতে দেখলেও জেল পলাতক খুনি-ধর্ষক-জঙ্গীদেরকে আটক করার রেকর্ড দেখিনি। ছাত্র শিবির-জামায়াতের মত যুদ্ধাপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক গোষ্ঠি ৩০ লক্ষ হত্যাকা- আর ২ লক্ষ ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে আগামীতে ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করছে। অথচ এরা বাংলাদেশ বা বাংলাদেশের স্বাধীনতাই চায়নি। আজ যদি ৮৬৫ হত্যাকা-ের অভিযোগে প্রায় ২৫ টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক প্লাটফর্মের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যার অভিযোগে কেন জামায়াত-শিবিরসহ স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা হবে না!

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

আমরা কেউ এখন নিরাপদ নই: মোমিন মেহেদী

প্রকাশের সময় : ১০:৩৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, হাদির উপর এমন নির্মম হামলাই প্রমাণ করেছে ড. ইউনূস সরকারের সময়ে আমরা কেউ এখন নিরাপদ নই। ১৩ ডিসেম্বর বিকেলে নতুনধারার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি তারাগঞ্জের রংপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বপরিবারে হত্যাকা-ের কথা স্মরণ করে বলেন, নির্মম হলেও সত্য যে, যেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্বপরিবারে হত্যা করলেও কেউ যখন কোনো কথা বলেনি, তখনই খুনীরা সুযোগ পেয়েছে, সেই সুযোগে তারা হাদিকে গুলি করেছে। আগামীতে হয়তো আরো অনেকের উপরই এমন হামলা হতে পারে। কারণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছেন প্রতিটি পদক্ষেপে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা, আল আমিন বৈরাগী প্রমুখ। এসময় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, গত ১৫ মাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশকে চড়াও হতে দেখলেও জেল পলাতক খুনি-ধর্ষক-জঙ্গীদেরকে আটক করার রেকর্ড দেখিনি। ছাত্র শিবির-জামায়াতের মত যুদ্ধাপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক গোষ্ঠি ৩০ লক্ষ হত্যাকা- আর ২ লক্ষ ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে আগামীতে ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করছে। অথচ এরা বাংলাদেশ বা বাংলাদেশের স্বাধীনতাই চায়নি। আজ যদি ৮৬৫ হত্যাকা-ের অভিযোগে প্রায় ২৫ টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক প্লাটফর্মের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যার অভিযোগে কেন জামায়াত-শিবিরসহ স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা হবে না!