শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিসাইল উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন কিম জং

ছবি-সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে মিসাইল উৎপাদন বাড়ানো ও আরও ফ্যাক্টরি স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।  শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বার্তাসংস্থা কেসিএনএ। গত কয়েক বছর ধরে মিসাইল পরীক্ষা বাড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এসব পরীক্ষার লক্ষ্য হলো নির্ভুলতার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যুক্তরাষ্ট্র সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা, এরপর এসব মিসাইল রাশিয়ার রপ্তানি করা।

শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে কিম একটি পাহাড়ি মিসাইল উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেন। ওই সময় তিনি ফ্যাক্টরির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, আগামী বছর উৎপাদন যেন আরও বাড়ানো হয়।

কেউ যেন উত্তর কোরিয়ায় হামলা চালাতে না পারে সেজন্য এসব মিসাইল উৎপাদন বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন কিম।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে নিজেদের সেনা পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এছাড়া গোলা, মিসাইল এবং দূরপাল্লার রকেট সিস্টেমও পাঠিয়েছে পিয়ংইয়ং।

এর বদলে রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে আর্থিক সহায়তা, সামরিক প্রযুক্তি, খাবার এবং জ্বালানি সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি মহাকাশ ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও উত্তর কোরিয়াকে সহায়তা করছে রাশিয়া।

উত্তর কোরিয়ার গবেষক এন-চান-ই বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, “পিয়ংইংয় আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল পোগ্রাম তার উদ্দেশ্য অর্জন করেছে বলে দেখা হয়। তারা এখন এটির আরও উন্নয়ন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

পারমাণবিক শক্তিধর উত্তর কোরিয়ার ওপর পশ্চিমারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাখলেও তারা তাদের সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে এবং ইতিমধ্যে বিশ্বের সর্বাধুনিক মিসাইলসহ অন্যান্য অস্ত্র উৎপাদন করতে সমর্থ হয়েছে। সূত্র: এএফপি

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

মিসাইল উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন কিম জং

প্রকাশের সময় : ০৩:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সেনাবাহিনীর ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে মিসাইল উৎপাদন বাড়ানো ও আরও ফ্যাক্টরি স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।  শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বার্তাসংস্থা কেসিএনএ। গত কয়েক বছর ধরে মিসাইল পরীক্ষা বাড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এসব পরীক্ষার লক্ষ্য হলো নির্ভুলতার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যুক্তরাষ্ট্র সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা, এরপর এসব মিসাইল রাশিয়ার রপ্তানি করা।

শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে কিম একটি পাহাড়ি মিসাইল উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেন। ওই সময় তিনি ফ্যাক্টরির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, আগামী বছর উৎপাদন যেন আরও বাড়ানো হয়।

কেউ যেন উত্তর কোরিয়ায় হামলা চালাতে না পারে সেজন্য এসব মিসাইল উৎপাদন বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন কিম।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে নিজেদের সেনা পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এছাড়া গোলা, মিসাইল এবং দূরপাল্লার রকেট সিস্টেমও পাঠিয়েছে পিয়ংইয়ং।

এর বদলে রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে আর্থিক সহায়তা, সামরিক প্রযুক্তি, খাবার এবং জ্বালানি সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি মহাকাশ ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও উত্তর কোরিয়াকে সহায়তা করছে রাশিয়া।

উত্তর কোরিয়ার গবেষক এন-চান-ই বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, “পিয়ংইংয় আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল পোগ্রাম তার উদ্দেশ্য অর্জন করেছে বলে দেখা হয়। তারা এখন এটির আরও উন্নয়ন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

পারমাণবিক শক্তিধর উত্তর কোরিয়ার ওপর পশ্চিমারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাখলেও তারা তাদের সামরিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে এবং ইতিমধ্যে বিশ্বের সর্বাধুনিক মিসাইলসহ অন্যান্য অস্ত্র উৎপাদন করতে সমর্থ হয়েছে। সূত্র: এএফপি