
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের মিশনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে হার্ডলাইনে যাচ্ছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির হাইকমান্ড। এমনকি কয়েকটি আসনে যেখানে দলের দুজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে বার্তা দেওয়া হবে।
দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ঠেকাতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলীয় নির্দেশনা বা আলটিমেটামের কথা জানিয়ে দেবে বিএনপির হাইকমান্ড। শিগগিরই তাদের বসে যাওয়ার বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া হবে। দলের সিদ্ধান্ত কেউ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি নেপথ্যে যদি কোনো মদদদাতা (নেতা) থাকেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, আসন্ন নির্বাচনে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী দমাতে দলের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। বিশেষ করে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিকদের আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কঠোর বার্তা দেওয়া হবে। যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের আগামী দিনে কোনো কমিটিতে জায়গা দেওয়া হবে না। এবার কোনো আশ্বাস নয়, বরং বহিষ্কার করার সিদ্ধান্তে অটল আছে হাইকমান্ড। কারণ প্রার্থী কে তা বড় নয়, ধানের শীষের জয়ের বিকল্প ভাবছে না বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সোমবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এরপর জানা যাবে কতগুলো আসনে কতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তবে তাদের বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। দলীয় ফোরামে আলোচনার পর তাদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘যারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন, তাদের সবাইকে এখন বিদ্রোহী বলা যাবে না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর যারা থেকে যাবেন, তারা হবেন বিদ্রোহী; তাদের বিরুদ্ধে আমরা দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এর আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দায়িত্বশীল নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন। যদি কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে তাহলে অ্যাকশনে যাবে বিএনপি।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ঘিরে বিএনপির অন্তর্কোন্দল চরমে। দলীয় প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন অনেকেই। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রায় ৬১ আসনে শতাধিক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। নিজ দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে জোরালো প্রচার-প্রচারণাও শুরু করেছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে বিএনপি।
শরিকদের চারটি আসনেও বিদ্রোহী প্রার্থী
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। কিন্তু এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। পটুয়াখালী-৩ আসন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হককে দিয়েছে বিএনপি। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। এ ছাড়া ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হককে দেওয়া আসনে নতুন করে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাইফুল আলম নীরব।
বিএনপির বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন যারা
রাজশাহী-১ আসনে (তানোর-গোদাগাড়ী) গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও আমেরিকাপ্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্যসচিব রেজাউল করিম টুটুল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য ব্যারিস্টার সালেকুজ্জামান সাগর। রাজশাহী-৫ আসনে (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রোকনুজ্জামান আলম, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসফা খায়রুল হক শিমুল, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক, রাজশাহী-৬ আসনে (বাঘা-চারঘাট) জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
জামালপুর-২ আসনে (ইসলামপুর) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আব্দুল হালিম, জামালপুর-৩ আসনে (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফায়েজুল ইসলাম লাঞ্জু, মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের তিনটিতে বিএনপির চার স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন। এরা হলেন সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।
সিরাজগঞ্জে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপির পাঁচ নেতা। এরা হলেন সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসভাপতি গোলাম সরোয়ার ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শফিফুল ইসলাম ছালাম।
মৌলভীবাজার-৪ আসনে (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) মো. মহসীন মিয়া মধু, শেরপুর-১ আসনে (সদর) জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-২ আসনে (নকলা-নালিতাবাড়ী) সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা, শেরপুর-৩ আসনে ইলিয়াস খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ আসনে আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ আসনে আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরন, ময়মনসিংহ-৬ আসনে মো. তানভীর আহমেদ রানা, ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৮ আসনে শাহ্ নূরুল কবির, ময়মনসিংহ-৯ আসনে সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী ও তার ছেলে নাসের খান চৌধুরী, মামুন বিন আব্দুল মান্নান, আনোয়ারুল মোমেন, এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুল, ময়মনসিংহ-১০ আসনে মুশফিকুর রহমান ও এ বি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ আসনে আলহাজ মোর্শেদ আলম মনোয়নপত্র দাখিল করেছেন।
বরিশাল-১ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সোবাহান, নীলফামারী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, নাটোর-১ আসনে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইসাসির আরশাদ রাজন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আশরাফুল ইসলাম, মহিলা দলনেত্রী ফাতেমা খানম, বিএনপি নেতা ইউসুফ আলী, খোরশেদ আলম মৃধা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। নাটোর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন।
যশোর-১ আসনে শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাসান জহির, ও বিএনপির সংস্কার পন্থী নেতা মফিকুল হাসান তৃপ্তি।
নড়াইল-১ আসনে নাগিব হোসেন ও এস এম সাজ্জাদ হোসেন, দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু, দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপি সহসভাপতি মোজাহারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জেড মর্তুজা চৌধুরী তুলা , ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত,
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষক দলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান, চাঁদপুর-৫ আসনে জেলা বিএনপি সদস্য কামাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ আসনে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আব্দুল হান্নান, সদস্য মোজাম্মেল, মো. আব্দুল মালেক, বিএনপি নেতা মো. আব্বাস উদ্দিন ও মো. মোতাহের হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা ও ডা. শামীম সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপির নেতা জিয়াদ আমিন খান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্ল্যাহ বাহার, উত্তর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সম্পাদক রফী উদ্দিন ফয়সাল এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. তরিকুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছেন।
চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক এবং বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আবুল হাশেম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সামছুল আলম, বিএনপি নেতা বিপ্লব দে ও শাহজাদা মোহাম্মদ আহসান উল্লা খান, চট্টগ্রাম-১২ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ, কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, কুড়িগ্রাম-১ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা 





































