শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের গভীর শোক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে সংগঠনটির চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এই শোক প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য প্রতীক। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন ও দৃঢ়চেতা। বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন সফল, সৎ ও আদর্শবান রাষ্ট্রনায়ক। তার নেতৃত্বকালেই বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব এদেশের মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের পথ দেখিয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন অভিভাবকসুলভ নেত্রীকে হারাল। এই শূন্যতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ইতিহাসে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
নেতৃবৃন্দ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের গভীর শোক

প্রকাশের সময় : ১১:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে সংগঠনটির চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি এবং সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এই শোক প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য প্রতীক। দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন ও দৃঢ়চেতা। বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অসামান্য অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন সফল, সৎ ও আদর্শবান রাষ্ট্রনায়ক। তার নেতৃত্বকালেই বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব এদেশের মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের পথ দেখিয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন অভিভাবকসুলভ নেত্রীকে হারাল। এই শূন্যতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ইতিহাসে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
নেতৃবৃন্দ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।