শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই বিতরণ, নতুন বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ

সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় বই উৎসব পালিত হয়েছে। নতুন বই পেয়ে ব্যাপক খুশি আনন্দ ও উৎসাহ বিরাজ করছে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের মাঝে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কয়েক শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের শুরুতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চলমান রাষ্ট্রীয় শোকের কারনে এবারে বই উৎসবের কোন আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। তবে এবারে কোন আনুষ্ঠানিকতা নয়, প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে  কয়েকজন শিক্ষার্থীদের হাতে এই বই তুলে দেয়া হয় বলে জানা যায়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ¦ বেনজির আহমেদ মুন্সির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম।

এসময় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলঅনা মোঃ কবির আহমেদ, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আয়েত আলী, মোঃ নুর মোহাম্মদ সবুজ,মোঃ শাহিন আলম, মোঃ আইয়ূুব আলী, নার্গিস আক্তার, কানিজ ফাতেমা শিলা, মোঃ গোলাম মোস্তফা দর্জি, উম্মে সালমা মল্লিকা, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ জহিরুল ইসলাম, রুমা আক্তার,আসাদুজ্জামান, মোঃ মোহসিন শিযা, মোঃ শাহিন ভুইয়াসহ এলাকার সুধিসমাজ,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বই বিতরণ পুর্ব আলোচনায় মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি  বলেন, সরকারের বড় একটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বের কাছে মডেল হিসেবে তুলে ধরা। সে লক্ষে বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে পেরে আমরাও আনন্দিত। সরকারের এই চ্যালেঞ্জ কে সামনে রেখে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
নতুন বই হাতে পেয়ে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ক্লঅশ রোল-০১ তাহমিদ সাইফ খান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলে,“নতুন বছরের প্রথম দিনেই বই পেয়ে খুব ভালো লাগছে। নতুন বই মানেই নতুন প্রস্তÍুতি । বইগুলো হাতে পেয়ে এখন থেকেই পড়াশোনা শুরু করতে পারব। একই ক্লাশের শিক্ষার্থী নুহা নতুন বই হাতে পেয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলে,“নতুন বইয়ের গন্ধ আর নতুন পাতা উল্টানোর আনন্দ আলাদা। উৎসব না হলেও বই পেয়ে খুব খুশি হয়েছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মতলব উত্তর উপজেলায় নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৩ লাখ ১৪ হাজার ৮০৬টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে এখন পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে মাত্র ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫৫টি বই। হিসাব অনুযায়ী, এখনও ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩৭টি বই, যা মোট চাহিদার মাত্র ৫৮.১৪ শতাংশ বই প্রাপ্তির সমান।

এর মধ্যে শুধুমাত্র মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের চাহিদা ২ লাখ ৪৩ হাজার ২০৬টি। কিন্তু উপজেলার হাতে এসেছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৯টি বই। ফলে মাধ্যমিকে ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৩৭টি বই সরবরাহের হার মাত্র ৫৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, মাদরাসা ও ইবতেদায়ি পর্যায়ে তুলনামূলকভাবে সরবরাহ ভালো হলেও এখনও ঘাটতি রয়েই গেছে। এ স্তরের জন্য ৭১ হাজার ২০০টি বইয়ের চাহিদা থাকলেও পৌঁছেছে মাত্র ৪৭ হাজার ৩৬৬টি। এতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৮৩৪টি বই সরবরাহের হার ৬৬.৫২ শতাংশ।

শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষাবর্শের শুরুতেই বই না পেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে। পাঠ্যবই হাতে থাকলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসের পাঠ অনুসরণ করতে পারে এবং বাড়িতে পড়াশোনার পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়। ফলে সময়মতো পাঠ্যবই বিতরণ শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির বই পাওয়া গেছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বই এখনো পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জানুয়ারির মধ্যেই সব বই পাওয়া যাবে এবং শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই হাতে পাওয়া শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তÍুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় এবং নিয়মিত পাঠদানে গতি আসে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে দ্রুত বই পৌঁছাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। বই সংকট সহসাই শেষ হবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে এবার কোনো উৎসব আয়োজন না থাকলেও শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে গিয়ে বই সংগ্রহ করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অন্তবর্তী সরকার বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। সে কারণে বই বিতরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপরও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহ ছিল। অভিভাবকরা সন্তানসহ বিদ্যালয়ে এসে বই গ্রহণ করেন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, বই পেয়ে খুশি ও আনন্দিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বলছে, নতুন বই পেয়েছি, এখন নতুন করে পড়াশোনায় মনোযোগী হবো।

অভিভাবকরা জানান, বই উৎসব না হওয়ায় অনেকেই নতুন বই পাওয়ায় আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। তবে নতুন বইয়ের গন্ধে উৎফুল্ল ছিলো বলে অভিভাবকরা জানিয়েছেন ।

জনপ্রিয়

বেনাপোলে বিএনপির নেতার ভাইয়ের মৃত্যু,জানাজায় ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

মতলব উত্তরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই বিতরণ, নতুন বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ

সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় বই উৎসব পালিত হয়েছে। নতুন বই পেয়ে ব্যাপক খুশি আনন্দ ও উৎসাহ বিরাজ করছে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের মাঝে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কয়েক শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের শুরুতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চলমান রাষ্ট্রীয় শোকের কারনে এবারে বই উৎসবের কোন আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। তবে এবারে কোন আনুষ্ঠানিকতা নয়, প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে  কয়েকজন শিক্ষার্থীদের হাতে এই বই তুলে দেয়া হয় বলে জানা যায়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ¦ বেনজির আহমেদ মুন্সির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম।

এসময় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলঅনা মোঃ কবির আহমেদ, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আয়েত আলী, মোঃ নুর মোহাম্মদ সবুজ,মোঃ শাহিন আলম, মোঃ আইয়ূুব আলী, নার্গিস আক্তার, কানিজ ফাতেমা শিলা, মোঃ গোলাম মোস্তফা দর্জি, উম্মে সালমা মল্লিকা, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ জহিরুল ইসলাম, রুমা আক্তার,আসাদুজ্জামান, মোঃ মোহসিন শিযা, মোঃ শাহিন ভুইয়াসহ এলাকার সুধিসমাজ,অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বই বিতরণ পুর্ব আলোচনায় মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি  বলেন, সরকারের বড় একটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বের কাছে মডেল হিসেবে তুলে ধরা। সে লক্ষে বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে পেরে আমরাও আনন্দিত। সরকারের এই চ্যালেঞ্জ কে সামনে রেখে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
নতুন বই হাতে পেয়ে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ক্লঅশ রোল-০১ তাহমিদ সাইফ খান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলে,“নতুন বছরের প্রথম দিনেই বই পেয়ে খুব ভালো লাগছে। নতুন বই মানেই নতুন প্রস্তÍুতি । বইগুলো হাতে পেয়ে এখন থেকেই পড়াশোনা শুরু করতে পারব। একই ক্লাশের শিক্ষার্থী নুহা নতুন বই হাতে পেয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলে,“নতুন বইয়ের গন্ধ আর নতুন পাতা উল্টানোর আনন্দ আলাদা। উৎসব না হলেও বই পেয়ে খুব খুশি হয়েছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মতলব উত্তর উপজেলায় নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৩ লাখ ১৪ হাজার ৮০৬টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে এখন পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে মাত্র ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫৫টি বই। হিসাব অনুযায়ী, এখনও ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩৭টি বই, যা মোট চাহিদার মাত্র ৫৮.১৪ শতাংশ বই প্রাপ্তির সমান।

এর মধ্যে শুধুমাত্র মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের চাহিদা ২ লাখ ৪৩ হাজার ২০৬টি। কিন্তু উপজেলার হাতে এসেছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৯টি বই। ফলে মাধ্যমিকে ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৩৭টি বই সরবরাহের হার মাত্র ৫৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, মাদরাসা ও ইবতেদায়ি পর্যায়ে তুলনামূলকভাবে সরবরাহ ভালো হলেও এখনও ঘাটতি রয়েই গেছে। এ স্তরের জন্য ৭১ হাজার ২০০টি বইয়ের চাহিদা থাকলেও পৌঁছেছে মাত্র ৪৭ হাজার ৩৬৬টি। এতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৮৩৪টি বই সরবরাহের হার ৬৬.৫২ শতাংশ।

শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষাবর্শের শুরুতেই বই না পেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে। পাঠ্যবই হাতে থাকলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসের পাঠ অনুসরণ করতে পারে এবং বাড়িতে পড়াশোনার পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়। ফলে সময়মতো পাঠ্যবই বিতরণ শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণির বই পাওয়া গেছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বই এখনো পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জানুয়ারির মধ্যেই সব বই পাওয়া যাবে এবং শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই হাতে পাওয়া শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তÍুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় এবং নিয়মিত পাঠদানে গতি আসে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে দ্রুত বই পৌঁছাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। বই সংকট সহসাই শেষ হবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে এবার কোনো উৎসব আয়োজন না থাকলেও শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে গিয়ে বই সংগ্রহ করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অন্তবর্তী সরকার বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। সে কারণে বই বিতরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপরও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহ ছিল। অভিভাবকরা সন্তানসহ বিদ্যালয়ে এসে বই গ্রহণ করেন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, বই পেয়ে খুশি ও আনন্দিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বলছে, নতুন বই পেয়েছি, এখন নতুন করে পড়াশোনায় মনোযোগী হবো।

অভিভাবকরা জানান, বই উৎসব না হওয়ায় অনেকেই নতুন বই পাওয়ায় আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। তবে নতুন বইয়ের গন্ধে উৎফুল্ল ছিলো বলে অভিভাবকরা জানিয়েছেন ।