
আহত শরীর নিয়েই নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির ১৩ বছরে পদার্পনের কেক কাটলেন চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী। ১ জানুয়ারি তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, গাজী মনসুর, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মাহামুদ হাসান তাহের, মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক হরিদাস সরকার, আল আমিন বৈরাগী, সদস্য মো. হাশেম মোল্লা, ঝুমা দাস ঝুমুর প্রমুখ। এসময় মোমিন মেহেদী বলেন, মানুষকে খুন করে আহত করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে পারলেও ইতিহাসে টিকে থাকা যায় না। আজ যে গোষ্ঠি আমার উপর হামলা করে স্তব্ধ করে দিতে চাইলেও আল্লাহর রহমতে বেঁচে আছি। ঠিক একই ভাবে ২০১৮ সালে গুম করে আমার কন্ঠরোধ করতে চেয়েছিলো তৎকালিন সরকারের স্বৈরাচারি মেশিনারিজ। মৃত মনে করে তারা আমাকে ফেলে গেলেও আজও বেঁচে আছি, কিন্তু তারা নেই, ইতিহাসে ভিলেন হিসেবে ব্যাপক সমালোচিত হয়ে আছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর টঙ্গীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নাজিম উদ্দিন আহমেদ-এর বিশেষ আয়োজন ‘মুক্তিযোদ্ধা মিলন মেলা ২০২৫’-এ অংশগ্রহণ শেষে মোটর বাইকে ফেরার পথে বিভিন্ন স্থানে হামলাকারীদের অনুসরন করার বিষয়টি অনুমান করেন। পথিমধ্যে রামপুরা থেকে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাকে সাথে নিয়ে বিজয়নগরস্থ সেন্ট্রাল ল’ কলেজের পিছন দিয়ে যাওয়ার সময় ৬/৭ জন তাদের গতিরোধ করে উপর্যপুরি লোহার রড, হকিস্টিক দিয়ে এলোপাতারি আঘাত করতে থাকে দুর্বৃত্তরা। এতে মোমিন মেহেদী প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে, তাকে বেদম আঘাত করতে থাকে হামলাকারীরা। এসময় শান্তা ফারজানা চিৎকার দিয়ে পথচারিরা এগিয়ে আসায় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানিয় প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সাঈদের তত্ত্বাবধানে আছেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, গুরুতর আঘাতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ইনজুরি হয়েছে। হামলা দীর্ঘস্থায়ী হলে বড় ধরণের ঘটনা ঘটতে পারতো।
নিজস্ব প্রতিবেদক 







































