
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ভবানিপুরে ফসিল জমি থেকে জোরপূর্বক মাঠি কাটায় এ এস লোকমানের নামে থানায় অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধ মো: ছালিক মিয়া।
ছালিক মিয়া তার অভিযোগ বলেন, “আমি দরখাস্তকারী মোঃ ছালিক মিয়া একজন বয়োবৃদ্ধ অসুস্থ ব্যাক্তি বটে। আমার তিন জন ছেলে প্রবাসে অবস্থানরত আছেন। তপশীল বর্ণিত ভূমি আমার মৌরশী, আমার পিতা মবশ্বির আলীর খরিদা ভূমি হয়। যাহাতে আমি সকলের জ্ঞাতসারে নির্বিবাদে ভোগ ব্যবহার করিয়া আসিতেছি। ২য় পক্ষ (এ এস লোকমান) আমার পিতারসহ অংশীদার মোঃ মছব্বির এর উত্তরাধীগণের সাথে হাত মিলাইয়া বিভিন্ন ভুল পরামর্শ দিয়া আমি এবং আমার পরিবারের সদস্যদেরকে হয়রানি করার হীন মনুষ্যতায় বিগত ২৭-০১-২০১০ইং তারিখে কুলাউড়া সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিঃ কৃত ৭১৫নং দানপত্র দলিল রেজিষ্ট্রি করে এর মধ্যে নালিশা তপশীল বর্ণিত রইয়াছে। একই তারিখে উল্লেখিত বাভাগনের নিকট হইতে একটি আম মোক্তারনামা দলিল যাহার নম্বর ৭১৬ তারিখ ২৭-০১-২০১০ইং রেজিষ্ট্রি করাইয়া নিয়া আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মিথ্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে হয়রানি করিয়া আসিতেছে। মোঃ মছব্বিরের উত্তরাধীকারীগণের দেওয়া দানপত্র দলিল এবং তাহাদের পিতার দেওয়া সাফকবলা দলিলের মধ্যে জঠিলতা সৃষ্টি হওয়ায় নালিশা ভূমির রেকর্ড আমার নামে হয় নাই যাহা রেকর্ড সংশোধনের প্রক্রিয়াধীন”।
তিনি আরোও উল্লেখ করেন, “আমার শারিরিক অসুস্থতার কারনে চলাফেরা করিতে অক্ষম তাই বাড়িতে বসে থাকি। গত শুক্রবার অর্থাৎ ২৬শে ডিসেম্বর বিকালবেলা আমি জানতে পারি যে একটি কাটার ক্রেং গাড়ি আমার জমির উপর রাখা আছে আমি এলাকার লোকদেরকে গাড়ি রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিলে কেহই জানেনা বলিয়া জানায়। পরের দিন শনিবার আনুমানিক সকাল ১০টা হইতে আমার নিম্ন তপশীল বর্ণিত দাগের ভূমি হইতে উক্ত মাটি কাটা ক্রেং গাড়ি দিয়া মাটি খনন করিয়া ট্রাক বুঝাই করিয়া ২য় পক্ষ (এ এস লেকমান) অন্যত্র নিয়ে যাইতেছে। আমি তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলে সে কোন সন্তুষ জনক উত্তর দেয় নাই বরং উশৃঙ্খলমূলক আচরন ব্যক্ত করিয়াছে।
আমার ধানি জমি হইতে আমার অজান্তে অসাক্ষাতে ক্রেং গাড়ি দিয়া জোরপূর্বক মাটি খনন করিয়া নেওয়ায় ধানি জমি নষ্ট হওয়াতে আমার অপূরনীয় ক্ষতির সম্মুখীন বিধায় ২য় পক্ষকে (এ এস লোকমান) জোরপূর্বক মাটি খনন করা হইতে বিরত রাখিয়া নিজ নিজ দলিল পত্র আপনার মাধ্যমে যাচাইয়ান্তে ন্যায় বিচার এর প্রার্থনা করিতেছি।”
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: 


































