মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোমা থেকে ফিরলেন মার্টিন

ছবি-সংগৃহীত

মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে অবস্থা এতটা গুরুতর ছিল যে হাসপাতালে ভর্তির পর অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটার ড্যামিয়েন মার্টিনকে রাখা হয়েছিল কোমায়। তবে স্বস্তির খবর তিনি সজাগ হয়েছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ইতিবাচক থাকলে শিগগিরই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে নেয়া হবে।

গত সপ্তাহে অসুস্থ হয়ে গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মার্টিনকে কোমায় রাখা হয়েছিল। তবে গত ৪৮ ঘণ্টায় তার অবস্থায় অলৌকিক পরিবর্তন এসেছে। ৫৪ বছর বয়সী এই সাবেক ব্যাটার এখন কোমা থেকে সজাগ হয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছেন।

 মার্টিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক অস্ট্রেলিয়ান উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট বলেন, ‘গত দুই দিনে যা ঘটেছে, তা অবিশ্বাস্য। তিনি এখন কথা বলতে পারছেন এবং চিকিৎসায় দারুণভাবে সাড়া দিচ্ছেন। কোমা থেকে ওঠার পর তার সুস্থ হয়ে ওঠার গতি এতটাই অসাধারণ যে তার পরিবার একে অলৌকিক বলেই মনে করছে।
 
গিলক্রিস্ট আরও জানান, মার্টিনের অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে।  চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউ থেকে অন্য ওয়ার্ডে নেয়ার বিষয়ে আশাবাদী। সাবেক এ অজি তারকা বলেন, ‘এটি তার দ্রুত আর শক্তিশালী পুনরুদ্ধারেরই প্রতিফলন। তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন এবং সবার ভালোবাসা ও সমর্থনে আপ্লুত। এখনও কিছু চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ বাকি আছে, তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ইতিবাচক।’
 
ক্রিকেট ক্যারিয়ারে মার্টিন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯৯২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ৬৭টি টেস্টে ৪৬.৩৭ গড়ে ১৩ সেঞ্চুরি, ২৩ ফিফটি সহ ৪৪০৬ রান করেন। ২০৮ ওয়ানডেতে ৪০.৮০ গড়ে ৫ সেঞ্চুরি ও ৩৭ ফিফটি সহ ৫৩৪৬ রান করেন। ৪টি টি-টোয়েন্টিতে ১৬২.১৬ স্ট্রাইক রেটে ১২০ রান করেছেন।
 
তিনি স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের অধিনায়কত্বে অপরিহার্য সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপ এবং ২০০৬ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছেন।
জনপ্রিয়

বেগম জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শেহবাজ

কোমা থেকে ফিরলেন মার্টিন

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে অবস্থা এতটা গুরুতর ছিল যে হাসপাতালে ভর্তির পর অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটার ড্যামিয়েন মার্টিনকে রাখা হয়েছিল কোমায়। তবে স্বস্তির খবর তিনি সজাগ হয়েছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ইতিবাচক থাকলে শিগগিরই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে নেয়া হবে।

গত সপ্তাহে অসুস্থ হয়ে গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মার্টিনকে কোমায় রাখা হয়েছিল। তবে গত ৪৮ ঘণ্টায় তার অবস্থায় অলৌকিক পরিবর্তন এসেছে। ৫৪ বছর বয়সী এই সাবেক ব্যাটার এখন কোমা থেকে সজাগ হয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছেন।

 মার্টিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক অস্ট্রেলিয়ান উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট বলেন, ‘গত দুই দিনে যা ঘটেছে, তা অবিশ্বাস্য। তিনি এখন কথা বলতে পারছেন এবং চিকিৎসায় দারুণভাবে সাড়া দিচ্ছেন। কোমা থেকে ওঠার পর তার সুস্থ হয়ে ওঠার গতি এতটাই অসাধারণ যে তার পরিবার একে অলৌকিক বলেই মনে করছে।
 
গিলক্রিস্ট আরও জানান, মার্টিনের অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে।  চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউ থেকে অন্য ওয়ার্ডে নেয়ার বিষয়ে আশাবাদী। সাবেক এ অজি তারকা বলেন, ‘এটি তার দ্রুত আর শক্তিশালী পুনরুদ্ধারেরই প্রতিফলন। তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন এবং সবার ভালোবাসা ও সমর্থনে আপ্লুত। এখনও কিছু চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ বাকি আছে, তবে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ইতিবাচক।’
 
ক্রিকেট ক্যারিয়ারে মার্টিন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯৯২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ৬৭টি টেস্টে ৪৬.৩৭ গড়ে ১৩ সেঞ্চুরি, ২৩ ফিফটি সহ ৪৪০৬ রান করেন। ২০৮ ওয়ানডেতে ৪০.৮০ গড়ে ৫ সেঞ্চুরি ও ৩৭ ফিফটি সহ ৫৩৪৬ রান করেন। ৪টি টি-টোয়েন্টিতে ১৬২.১৬ স্ট্রাইক রেটে ১২০ রান করেছেন।
 
তিনি স্টিভ ওয়াহ ও রিকি পন্টিংয়ের অধিনায়কত্বে অপরিহার্য সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপ এবং ২০০৬ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছেন।