শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে হিন্দু নারীর সৎকারে বাধা, মরদেহ নিয়ে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক নারীর সৎকারে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সৎকার সম্পন্ন হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার ঝিকিড়া মহল্লায় গণেশ বনিকের স্ত্রী মিনা বনিক অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে মরদেহ সৎকারের জন্য ঘোষগাতী মহাশ্মশানে নেওয়া হলে শ্মশানের চাবি না পাওয়ায় সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শ্মশানের চাবির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি শুরুতে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অন্য শ্মশানে সৎকার করার কথা বলেন। এতে সৎকারে বিলম্ব সৃষ্টি হলে মরদেহ নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।
পরিস্থিতি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে। প্রশাসনের আশ্বাসের পর ঘোষগাতী মহাশ্মশানে মরদেহ নিয়ে গিয়ে সৎকার সম্পন্ন করা হয়।
এলাকাবাসীর তথ্যমতে, ঘোষগাতী মহাশ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরে উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে পরিচিত ছিল এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে সৎকার করে আসছিল। কয়েক বছর আগে নাম পরিবর্তন ও একটি পরিচালনা কমিটি গঠনের পর সৎকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. আরিফ সোমবার সকাল ১০টায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং জানান, প্রশাসনের উদ্যোগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

সিরাজগঞ্জে হিন্দু নারীর সৎকারে বাধা, মরদেহ নিয়ে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক নারীর সৎকারে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সৎকার সম্পন্ন হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার ঝিকিড়া মহল্লায় গণেশ বনিকের স্ত্রী মিনা বনিক অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে মরদেহ সৎকারের জন্য ঘোষগাতী মহাশ্মশানে নেওয়া হলে শ্মশানের চাবি না পাওয়ায় সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শ্মশানের চাবির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি শুরুতে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অন্য শ্মশানে সৎকার করার কথা বলেন। এতে সৎকারে বিলম্ব সৃষ্টি হলে মরদেহ নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করেন।
পরিস্থিতি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে। প্রশাসনের আশ্বাসের পর ঘোষগাতী মহাশ্মশানে মরদেহ নিয়ে গিয়ে সৎকার সম্পন্ন করা হয়।
এলাকাবাসীর তথ্যমতে, ঘোষগাতী মহাশ্মশানটি দীর্ঘদিন ধরে উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে পরিচিত ছিল এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে সৎকার করে আসছিল। কয়েক বছর আগে নাম পরিবর্তন ও একটি পরিচালনা কমিটি গঠনের পর সৎকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. আরিফ সোমবার সকাল ১০টায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং জানান, প্রশাসনের উদ্যোগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।