বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে যা জানালো হোয়াইট হাউস

ছবি-সংগৃহীত

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপ এবং কানাডার নেতারা আর্কটিক অঞ্চলটি সেখানকার জনগণের মালিকানাধীন বলে দাবি করার পর এই পদক্ষেপের কথা জানালো যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।  মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন। যা আর্কটিক অঞ্চলে প্রতিপক্ষদের প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয়।

এ কারণে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার দল এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতির লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বলা হয়েছে, এই লক্ষ্য অর্জনে মার্কিন সামরিক বাহিনীকেও ব্যবহার করা হতে পারে।
 
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রচেষ্টা ন্যাটো জোটের জন্য ধাক্কা হতে পারে এবং ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রতি তার আগ্রহ, যা প্রাথমিকভাবে ২০১৯ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রকাশ পেয়েছিল, সম্প্রতি কারাকাসে হামলার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপহরণের পর আবার তা জেগে উঠেছে।

এই অভিযানের প্রতি উৎসাহিত হয়ে ট্রাম্প আরও বলেছেন, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য আর কখনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এছাড়া কলম্বিয়া এবং কিউবা উভয়ের উপর চাপ বাড়িয়েছেন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যক। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি রাশিয়ান এবং চীনা জাহাজগুলো আবৃত করে রেখেছে। যা ডেনমার্কের রক্ষা করার ক্ষমতা নেই।

এদিকে, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড, কিন্তু মাত্র ৫৭,০০০ জনসংখ্যার দেশ, বারবার বলেছে যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।
জনপ্রিয়

বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যেতে চায়, পেছনের দরজা দিয়ে নয়: ডা. শাহাদাত 

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে যা জানালো হোয়াইট হাউস

প্রকাশের সময় : ১০:৫৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপ এবং কানাডার নেতারা আর্কটিক অঞ্চলটি সেখানকার জনগণের মালিকানাধীন বলে দাবি করার পর এই পদক্ষেপের কথা জানালো যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।  মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন। যা আর্কটিক অঞ্চলে প্রতিপক্ষদের প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয়।

এ কারণে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার দল এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতির লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বলা হয়েছে, এই লক্ষ্য অর্জনে মার্কিন সামরিক বাহিনীকেও ব্যবহার করা হতে পারে।
 
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রচেষ্টা ন্যাটো জোটের জন্য ধাক্কা হতে পারে এবং ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রতি তার আগ্রহ, যা প্রাথমিকভাবে ২০১৯ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রকাশ পেয়েছিল, সম্প্রতি কারাকাসে হামলার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপহরণের পর আবার তা জেগে উঠেছে।

এই অভিযানের প্রতি উৎসাহিত হয়ে ট্রাম্প আরও বলেছেন, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য আর কখনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এছাড়া কলম্বিয়া এবং কিউবা উভয়ের উপর চাপ বাড়িয়েছেন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যক। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি রাশিয়ান এবং চীনা জাহাজগুলো আবৃত করে রেখেছে। যা ডেনমার্কের রক্ষা করার ক্ষমতা নেই।

এদিকে, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড, কিন্তু মাত্র ৫৭,০০০ জনসংখ্যার দেশ, বারবার বলেছে যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।