
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
বৈষম্যবিরোধী মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসাবে গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৬ই জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে জানান, সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের বাউরভাগ গ্রামের বাসিন্দা ও মনুমুখ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমদ সাজনের ছেলে রাফি আহমেদ বৈষম্য বিরোধী ও এনসিপি নেতা পরিচয়ে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের নানান ভাবে হয়রানি করে আসছে।
২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর রাফি আহমদ বৈষম্যবিরোধী, বর্তমানে এনসিপি নেতা পরিচয় দিয়ে নাদামপুর সহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ লোকদের মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহিত যোগসাজশ আছে মর্মে প্রচার করিয়া লোকদের নিকট হইতে বিভিন্ন অংকের টাকা নিয়া মানুষদের মামলা দিয়ে হয়রানি করিতেছে।
আবুল চৌধুরী আরও বলেন, সম্প্রতি রাজু আহমদ সাজনের সহিত আমাদের জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এমনকি রাফি আহমেদের আপন চাচা রাজীব আহমদ দিনার উরফে দিনার আহমদকে বৈষম্যবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার করার পর আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে দোষারুপ করে হয়রানি করছে।
রাফি আহমেদসহ তাহার পরিবারের সদস্যরা আওয়ামীলীগের সহিত ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং সেও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিল। রাফি আহমেদ ও তার পিতা রাজু আহমদ সাজন সম্প্রতি লোকমুখে প্রচার করিতেছে যে, আমাকে মিথ্যা আওয়ামীলীগের কমিটি তৈরি করিয়া আমাকে এবং আমার আরও প্রবাসী দুই ভাইকে ভূয়া তথ্য দিয়া মামলা দিয়া হয়রানি করিবে। এই বিষয়ে গত ২৪/১১/২০২৫ইং তারিখে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দাখিল করি। রাফি আহমেদ বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে বৈষম্যবিরোধী মামলায় আমাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসাবে জড়িত করিয়া গ্রেপ্তার করানো হবে।
তিনি জানান, তিনি ও তার পরিবার কোন রাজনৈতিক দলের সহিত সম্পৃক্ত নেই বিধায় কোন ধরনের রাজনৈতিক দলে কোন টাকা পয়সা প্রদান করিতে পারিব না মর্মে জানাইলে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হইয়া হয়রানীমূলক কার্যকলাপ করে আসছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগীতা কামনা করেন।
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: 







































