শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

মেহেদী হাসান (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:
 রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় পারিবারিক অভিমান থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে মধু সিকদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণবাড়ি গ্রামের মাবু সিকদারের ছেলে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাড়ির পাশে নজির আহমেদ মিয়ার জাম গাছের ডালের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিমান করে মধু সিকদার পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার ছোট বোন হাসিনার বাড়িতে যান। কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করার পর তিনি নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। তবে তিনি নিজ বাড়িতে না ফিরে পথিমধ্যে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে নজির আহমেদ মিয়া ঘুম থেকে উঠে তার বাড়ির উত্তর পাশে জাম গাছের সঙ্গে মধু সিকদারকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি মধু সিকদারের পরিবারকে জানান। খবর পেয়ে তার ছেলে ইয়াসিন ঘটনাস্থলে এসে গলার রশি খুলে মাটিতে নামান। এ সময় মধু সিকদারকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মধু সিকদারের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ঝগড়াঝাটি ও খারাপ আচরণ চলছিল। এলাকাবাসীর ধারণা, পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সংবাদ পেয়ে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

বালিয়াকান্দিতে অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৪:৫১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
মেহেদী হাসান (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:
 রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় পারিবারিক অভিমান থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে মধু সিকদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণবাড়ি গ্রামের মাবু সিকদারের ছেলে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাড়ির পাশে নজির আহমেদ মিয়ার জাম গাছের ডালের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিমান করে মধু সিকদার পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার ছোট বোন হাসিনার বাড়িতে যান। কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করার পর তিনি নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। তবে তিনি নিজ বাড়িতে না ফিরে পথিমধ্যে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে নজির আহমেদ মিয়া ঘুম থেকে উঠে তার বাড়ির উত্তর পাশে জাম গাছের সঙ্গে মধু সিকদারকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি মধু সিকদারের পরিবারকে জানান। খবর পেয়ে তার ছেলে ইয়াসিন ঘটনাস্থলে এসে গলার রশি খুলে মাটিতে নামান। এ সময় মধু সিকদারকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মধু সিকদারের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ঝগড়াঝাটি ও খারাপ আচরণ চলছিল। এলাকাবাসীর ধারণা, পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সংবাদ পেয়ে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।