
ভেনেজুয়েলার নাটকীয় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মাঝে এবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী ও ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের খবর নিশ্চিত করেছেন। আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন মাচাদোকে ওয়াশিংটনে স্বাগত জানানো হবে বলে জানান তিনি। খবর এএফপির। লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ৩ ডিসেম্বর মার্কিন বিশেষ বাহিনী ‘অপারেশন অ্যাবস্যালুট ডিজল্ভ’-এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর ভেনেজুয়েলায় যে ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হয়েছে, এই বৈঠক তারই সমাধানের পথ খুঁজতে পারে। বর্তমানে নিউইয়র্কের কারাগারে বন্দি মাদুরোর অনুপস্থিতিতে মাচাদোকেই দেশটির প্রধান রাজনৈতিক পক্ষ হিসেবে বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মারিয়া কোরিনা মাচাদো আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হলেও ট্রাম্প এর আগে তার দেশ পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। ট্রাম্পের মতে, মাচাদো একজন ‘চমৎকার নারী’ হলেও ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রয়োজনীয় গণসমর্থন ও সম্মান আদায় করা তার জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে এই সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে ট্রাম্প হয়তো ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ সরকার কাঠামো নিয়ে মাচাদোর সঙ্গে কোনো গোপন সমঝোতায় পৌঁছাতে চান।মার্কিন ডেল্টা ফোর্সের অভিযানের পর লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে, এই বৈঠক তাকে আরও উসকে দিতে পারে। মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার আইনি ও নৈতিক দিক নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠলেও ট্রাম্প প্রশাসন তাদের অবস্থানে অনড়। এখন দেখার বিষয়, হোয়াইট হাউসের এই আলোচনার পর মাচাদো কি ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন, নাকি পর্দার আড়ালে নতুন কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হবে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































