রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন

ছবি-সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের জন্য বৃহত্তর বাজার প্রবেশাধিকার এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলো। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে ড. রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

 
বৈঠক সূত্রে জানা যায়,  বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি সফররত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার সম্মত হয়েছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমিয়ে আনার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্থাপন করতে। যাতে এটি আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর শুল্কহারের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
 
এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, উভয়পক্ষ বাংলাদেশের রফতানি অগ্রাধিকারকে সহায়তা করতে একটি উদ্ভাবনী ও ভবিষ্যতমুখী সমাধান নিয়ে একমত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
 
বৈঠকে ড. রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে আলোচিত প্রস্তাবিত এক বিশেষ সুবিধা কর্মসূচির আওতায়, যুক্তরাষ্ট্রে-বাংলাদেশ তার টেক্সটাইল ও পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে—যার পরিমাণ নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক টেক্সটাইল উপকরণ বাংলাদেশ যে পরিমাণ আমদানি করবে, তার সমপরিমাণ (স্কয়ার-মিটার ভিত্তিতে)।
 
এই সৃজনশীল ও উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক উদ্যোগ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে শক্তিশালী করবে, বাংলাদেশের উৎপাদক ও শ্রমিকদের সহায়তা দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকদের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক আরও গভীর করবে বলেও জানানো হয়।
 
বৈঠক সূত্রে আরও জানা যায়, এটি যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কে বাড়তে থাকা ইতিবাচক গতি ও সদিচ্ছার প্রতিফলন এবং বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্ভাবনার ক্ষেত্রে একটি আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে।
 
জনপ্রিয়

যশোরে সকালের বার্তা পত্রিকার প্রকাশনা উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন

প্রকাশের সময় : ০৬:২২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের জন্য বৃহত্তর বাজার প্রবেশাধিকার এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলো। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে ড. রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

 
বৈঠক সূত্রে জানা যায়,  বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি সফররত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার সম্মত হয়েছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমিয়ে আনার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্থাপন করতে। যাতে এটি আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর শুল্কহারের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
 
এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, উভয়পক্ষ বাংলাদেশের রফতানি অগ্রাধিকারকে সহায়তা করতে একটি উদ্ভাবনী ও ভবিষ্যতমুখী সমাধান নিয়ে একমত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
 
বৈঠকে ড. রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে আলোচিত প্রস্তাবিত এক বিশেষ সুবিধা কর্মসূচির আওতায়, যুক্তরাষ্ট্রে-বাংলাদেশ তার টেক্সটাইল ও পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে—যার পরিমাণ নির্ধারিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক টেক্সটাইল উপকরণ বাংলাদেশ যে পরিমাণ আমদানি করবে, তার সমপরিমাণ (স্কয়ার-মিটার ভিত্তিতে)।
 
এই সৃজনশীল ও উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক উদ্যোগ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে শক্তিশালী করবে, বাংলাদেশের উৎপাদক ও শ্রমিকদের সহায়তা দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকদের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক আরও গভীর করবে বলেও জানানো হয়।
 
বৈঠক সূত্রে আরও জানা যায়, এটি যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কে বাড়তে থাকা ইতিবাচক গতি ও সদিচ্ছার প্রতিফলন এবং বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্ভাবনার ক্ষেত্রে একটি আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে।