শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট হবে না: বিইআরসি চেয়ারম্যান

ছবি-বাসস

আসন্ন রমজানে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) কোনো সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, সামনে এলপিজির আমদানি বাড়ানো হচ্ছে, যা রমজানে চাহিদা পূরণ করতে সহায়ক হবে।  বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এলপিজি বাজার নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

তবে বাস্তবে দেশের এলপিজি বাজারে গত কয়েকদিন ধরে দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ মূল্যেও অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তারা। এ পরিস্থিতিতে গোলটেবিল আলোচনায় ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান প্রশ্ন তুলে বলেন, ১৩০০ টাকার এলপি গ্যাসের জন্য গ্রাহককে কেন আড়াই হাজার টাকা দিতে হবে? তিনি এলপিজির দাম নির্ধারণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার দাবি জানান।

অন্যদিকে চলমান সংকটের জন্য বিইআরসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন এলপিজি আমদানিকারকরা। তাদের অভিযোগ, আমদানি বাড়াতে আগ্রহী হলেও সময়মতো সরকারি সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে দেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান বাড়তি আমদানি করেছে, তাদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তিনি আরও জানান, জানুয়ারি মাসে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন এলপিজি দেশে আসার কথা রয়েছে। এতে করে রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সবার সহযোগিতায় আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো।

জনপ্রিয়

কলারোয়ায় বাস-নছিমন সংঘর্ষে নিহত ১

রমজানে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট হবে না: বিইআরসি চেয়ারম্যান

প্রকাশের সময় : ০৩:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন রমজানে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) কোনো সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, সামনে এলপিজির আমদানি বাড়ানো হচ্ছে, যা রমজানে চাহিদা পূরণ করতে সহায়ক হবে।  বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এলপিজি বাজার নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

তবে বাস্তবে দেশের এলপিজি বাজারে গত কয়েকদিন ধরে দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ মূল্যেও অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তারা। এ পরিস্থিতিতে গোলটেবিল আলোচনায় ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান প্রশ্ন তুলে বলেন, ১৩০০ টাকার এলপি গ্যাসের জন্য গ্রাহককে কেন আড়াই হাজার টাকা দিতে হবে? তিনি এলপিজির দাম নির্ধারণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার দাবি জানান।

অন্যদিকে চলমান সংকটের জন্য বিইআরসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন এলপিজি আমদানিকারকরা। তাদের অভিযোগ, আমদানি বাড়াতে আগ্রহী হলেও সময়মতো সরকারি সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে দেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান বাড়তি আমদানি করেছে, তাদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তিনি আরও জানান, জানুয়ারি মাসে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন এলপিজি দেশে আসার কথা রয়েছে। এতে করে রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সবার সহযোগিতায় আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো।