মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
‎ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা:

জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ

ছবি-সংগৃহীত

ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেলে সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হবে কিনা এ বিষয়ে ২১ জানুয়ারি সিদ্ধান্ত জানাবেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।  এদিন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবীরা। এর আগে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করেন রাষ্ট্রপক্ষ।

 
পলকের পক্ষে আদালতে শুনানি পরিচালনা করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। অপরদিকে পলাতক থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন মনজুর আলম।
 
এদিন জুনাইদ আহমেদ পলক ট্রাইব্যুনালকে জানান, তিনি ইন্টারনেট বন্ধ করেননি৷। শিক্ষার্থীদের পক্ষে গোপনে ও প্রকাশ্যে কাজ করেছেন বলে দাবি করেন। এমনকি ২ আগস্ট পদত্যাগ করতেও চেয়েছেন বলে জানান তিনি।
জনপ্রিয়

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিরোধ: ফের ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা

‎ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা:

জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ

প্রকাশের সময় : ০৪:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেলে সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হবে কিনা এ বিষয়ে ২১ জানুয়ারি সিদ্ধান্ত জানাবেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।  এদিন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবীরা। এর আগে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করেন রাষ্ট্রপক্ষ।

 
পলকের পক্ষে আদালতে শুনানি পরিচালনা করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। অপরদিকে পলাতক থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন মনজুর আলম।
 
এদিন জুনাইদ আহমেদ পলক ট্রাইব্যুনালকে জানান, তিনি ইন্টারনেট বন্ধ করেননি৷। শিক্ষার্থীদের পক্ষে গোপনে ও প্রকাশ্যে কাজ করেছেন বলে দাবি করেন। এমনকি ২ আগস্ট পদত্যাগ করতেও চেয়েছেন বলে জানান তিনি।