সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ সলঙ্গায় খাবার হোটেলের আড়ালে মাদক বিক্রির অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নে নাটোর–রাজশাহী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ‘মা-বাবার দোয়া খাবার হোটেল’-এর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুসন্ধান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির ভেতর থেকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হচ্ছে। এসব মাদক প্রধানত মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও সহকারীদের কাছে সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের মৃত দুলাল হোসেনের ছেলে সুজন আলী ওই হোটেলে অবস্থান করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়ভাবে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে হোটেলের মালিক মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য জানতে সরেজমিনে গেলে তাকে হোটেলে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। হোটেলের এক কর্মচারী জানান, সুজন আলী সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় র‌্যাব-১২-এর কার্যালয়, সলঙ্গা থানা এবং হাইওয়ে থানা অবস্থিত।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ ইমাম জাফরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়

যশোরে গোডাউন থেকে ৭৭ টি আমেরিকান মোটরসাইকেল উদ্ধার, সিলগালা

সিরাজগঞ্জ সলঙ্গায় খাবার হোটেলের আড়ালে মাদক বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নে নাটোর–রাজশাহী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ‘মা-বাবার দোয়া খাবার হোটেল’-এর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুসন্ধান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলটির ভেতর থেকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হচ্ছে। এসব মাদক প্রধানত মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও সহকারীদের কাছে সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের মৃত দুলাল হোসেনের ছেলে সুজন আলী ওই হোটেলে অবস্থান করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়ভাবে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে হোটেলের মালিক মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য জানতে সরেজমিনে গেলে তাকে হোটেলে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। হোটেলের এক কর্মচারী জানান, সুজন আলী সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় র‌্যাব-১২-এর কার্যালয়, সলঙ্গা থানা এবং হাইওয়ে থানা অবস্থিত।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ ইমাম জাফরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।