শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অমল সেনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে স্মরণ সভা ও ক্রীড়া কর্মসূচি

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৬
যশোর অফিস 
তেভাগা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ও উপমহাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কমরেড অমল সেনের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে দুই দিনব্যাপী স্মরণ সভা ও ক্রীড়া কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অমল সেন স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে শনিবার স্মরণ সভার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি বাকড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১১টায় বালক-বালিকাদের সাইকেল রেস ও দৌড় প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। বিকালে সম্প্রীতির র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিটি গ্রাম প্রদক্ষিণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অমল সেন স্মৃতি রক্ষা কমিটির সভাপতি কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ, সহ-সভাপতি কমরেড কঙ্কন পাঠক, মিজানুর রহমান, শিক্ষক মিহির ঘোষ, বিথিকা বিশ্বাস, মলয় লস্করসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, কমরেড অমল সেন আজীবন এ দেশের মানুষের মুক্তি ও কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ একজন বিপ্লবী নেতা। বর্তমান সময়ে এমন দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নেওয়া সরকার নিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে না। তাদের দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে সাম্প্রদায়িক হামলা ও মব সন্ত্রাস আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বক্তারা উল্লেখ করেন, উগ্র মৌলবাদীরা মৃত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দিয়েছে এবং দীপু দাস নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনাও ঘটেছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো পক্ষ নিতে পারে না—এটাই সংবিধানসম্মত বাস্তবতা। অথচ এই সরকার প্রহসনের গণভোট চালু করেছে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে রাষ্ট্রযন্ত্র ও বিপুল অর্থ ব্যবহার করছে বলে তারা দাবি করেন।
আলোচনা সভা থেকে কমরেড অমল সেনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
জনপ্রিয়

ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্টে ক্ষমা আইন পাস

অমল সেনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে স্মরণ সভা ও ক্রীড়া কর্মসূচি

প্রকাশের সময় : ০৯:৩১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
যশোর অফিস 
তেভাগা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ও উপমহাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কমরেড অমল সেনের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে দুই দিনব্যাপী স্মরণ সভা ও ক্রীড়া কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অমল সেন স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে শনিবার স্মরণ সভার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি বাকড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১১টায় বালক-বালিকাদের সাইকেল রেস ও দৌড় প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। বিকালে সম্প্রীতির র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিটি গ্রাম প্রদক্ষিণ শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অমল সেন স্মৃতি রক্ষা কমিটির সভাপতি কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ, সহ-সভাপতি কমরেড কঙ্কন পাঠক, মিজানুর রহমান, শিক্ষক মিহির ঘোষ, বিথিকা বিশ্বাস, মলয় লস্করসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, কমরেড অমল সেন আজীবন এ দেশের মানুষের মুক্তি ও কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ একজন বিপ্লবী নেতা। বর্তমান সময়ে এমন দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা ক্রমেই বিরল হয়ে উঠছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নেওয়া সরকার নিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে না। তাদের দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে সাম্প্রদায়িক হামলা ও মব সন্ত্রাস আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বক্তারা উল্লেখ করেন, উগ্র মৌলবাদীরা মৃত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দিয়েছে এবং দীপু দাস নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনাও ঘটেছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো পক্ষ নিতে পারে না—এটাই সংবিধানসম্মত বাস্তবতা। অথচ এই সরকার প্রহসনের গণভোট চালু করেছে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে রাষ্ট্রযন্ত্র ও বিপুল অর্থ ব্যবহার করছে বলে তারা দাবি করেন।
আলোচনা সভা থেকে কমরেড অমল সেনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।