বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষেতলালের আলোচিত গ্যাং রেপ মামলার ৩ নম্বর আসামি মহিন গ্রেপ্তার

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় সংঘটিত আলোচিত গ্যাং রেপ মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি মহিনকে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর (রবিবার) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ক্ষেতলাল পৌর এলাকার ভাসিলা কুমারগাড়ি মহল্লায় ভয়াবহ এই ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ভাসিলা গ্রামের লালচানের ছেলে সুমন মিয়া ভুক্তভোগী তরুণীকে তিনজনের কথা বলে মক্ষিরানী হিসেবে ভাড়ায় নেন। পরবর্তীতে কৌশলে আরও চারজনকে ডেকে এনে তরুণী ও তার স্বামীর হাত-মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সাতজন মিলে গণধর্ষণ করে।

ঘটনার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ভুক্তভোগী তরুণী ক্ষেতলাল থানায় এসে তিনজনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন। ঘটনার দিনই পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গত ১২ জানুয়ারি (সোমবার) প্রধান আসামি সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। সবশেষে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি মহিনকে গতকাল রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ক্ষেতলাল থানার তদন্ত (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, গণধর্ষণ মামলার ৩ নং আসামি মহিনকে গত সোমবার রাতে ঢাকার উত্তরা হতে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

তারেক রহমান বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ যাবেন

ক্ষেতলালের আলোচিত গ্যাং রেপ মামলার ৩ নম্বর আসামি মহিন গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় সংঘটিত আলোচিত গ্যাং রেপ মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি মহিনকে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর (রবিবার) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ক্ষেতলাল পৌর এলাকার ভাসিলা কুমারগাড়ি মহল্লায় ভয়াবহ এই ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ভাসিলা গ্রামের লালচানের ছেলে সুমন মিয়া ভুক্তভোগী তরুণীকে তিনজনের কথা বলে মক্ষিরানী হিসেবে ভাড়ায় নেন। পরবর্তীতে কৌশলে আরও চারজনকে ডেকে এনে তরুণী ও তার স্বামীর হাত-মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সাতজন মিলে গণধর্ষণ করে।

ঘটনার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ভুক্তভোগী তরুণী ক্ষেতলাল থানায় এসে তিনজনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন। ঘটনার দিনই পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গত ১২ জানুয়ারি (সোমবার) প্রধান আসামি সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। সবশেষে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি মহিনকে গতকাল রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ক্ষেতলাল থানার তদন্ত (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, গণধর্ষণ মামলার ৩ নং আসামি মহিনকে গত সোমবার রাতে ঢাকার উত্তরা হতে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।