শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালামের আত্মসমর্পণ

ছবি-সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

 আবুল কালাম আজাদকে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তখন থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার সরকার। পরে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৮ জুলাই সাজা স্থগিত চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম।
 
একই বছরে ২২ অক্টোবর আবুল কালাম আজাদের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে সরকার। সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার আগে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয় তাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি। তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। 
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালে এ মামলার বিচার শুরু হলে তিনি প্রথম থেকেই অনুপস্থিত ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতেই চলে বিচার কাজ। তার বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে মোট আটটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
 
২০১৩ সালে হওয়া আদালতের রায়ে সাতটি অভিযোগে আবুল কালাম আজাদকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এর মধ্যে তিনটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ফাঁসির রায় হওয়ার প্রায় এক যুগ পর তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন।
জনপ্রিয়

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালামের আত্মসমর্পণ

প্রকাশের সময় : ১২:২৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

 আবুল কালাম আজাদকে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তখন থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার সরকার। পরে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৮ জুলাই সাজা স্থগিত চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম।
 
একই বছরে ২২ অক্টোবর আবুল কালাম আজাদের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে সরকার। সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার আগে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয় তাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি। তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। 
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালে এ মামলার বিচার শুরু হলে তিনি প্রথম থেকেই অনুপস্থিত ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতেই চলে বিচার কাজ। তার বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে মোট আটটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
 
২০১৩ সালে হওয়া আদালতের রায়ে সাতটি অভিযোগে আবুল কালাম আজাদকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এর মধ্যে তিনটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ফাঁসির রায় হওয়ার প্রায় এক যুগ পর তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন।