বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
ডাক্তারের পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের ওয়ার্ড বয় দিয়ে রোগীর সেলাই করানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাবনা-সিরাজগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তিন সদস্যের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
দুদক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে এক রোগীকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে সেলাই করানোর অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা পড়ে। রোগীর পরিবারের দাখিল করা ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তৎকালীন মেডিকেল অফিসার ডা. অভিজিৎ রায় (বর্তমানে ঢাকায় প্রশিক্ষণরত), অবসরপ্রাপ্ত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুফিয়া সুলতানা এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত ওয়ার্ড বয় আবু তালেবের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযানকালে দুদকের কর্মকর্তারা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনার মান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। সংগৃহীত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। প্রতিবেদন কমিশনে দাখিলের পর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়

প্রচারণার প্রথম দিনেই মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে উৎসবের আমেজ বইছে

সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

প্রকাশের সময় : ০৮:২২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
ডাক্তারের পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের ওয়ার্ড বয় দিয়ে রোগীর সেলাই করানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাবনা-সিরাজগঞ্জ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তিন সদস্যের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
দুদক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে এক রোগীকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে সেলাই করানোর অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা পড়ে। রোগীর পরিবারের দাখিল করা ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তৎকালীন মেডিকেল অফিসার ডা. অভিজিৎ রায় (বর্তমানে ঢাকায় প্রশিক্ষণরত), অবসরপ্রাপ্ত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুফিয়া সুলতানা এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত ওয়ার্ড বয় আবু তালেবের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযানকালে দুদকের কর্মকর্তারা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনার মান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। সংগৃহীত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। প্রতিবেদন কমিশনে দাখিলের পর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।