
এম. মতিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং রাঙ্গুনিয়া সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক আনুষ্ঠানিক হাতে পেয়েছেন জানিয়ে রাঙ্গুনিয়াবাসীর দোয়া কামনা করেছেন। “পরিচ্ছন্ন রাঙ্গুনিয়া, গড়বো এবার আমরা” এই প্রতিপাদ্যে রাঙ্গুনিয়াজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী সামানজার খান এই প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। আশাকরি এই কার্যক্রমের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়া সাফ হবে। ঠিক একইভাবে নির্বাচনের পরে এই সমাজটাকেও সাফ করার দায়িত্ব আমরা পাবো। রাঙ্গুনিয়াজুড়ে এখন মাদকের সমস্যা, যেটি এখন ঘরে ঘরে শুনতে পাচ্ছি, আশাকরি সবাইকে নিয়ে এই ধরণের সব সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারবো। চৌধুরী পরিবারের সাথে রাঙ্গুনিয়ার আত্মার সম্পর্ক, রক্তের সম্পর্ক। আপনারা প্রায় ষাট বছর আমার দাদা আমার বাবার পাশে ছিলেন। এটি ধরে রাখতে আপনাদের দোয়া সমর্থন কামনা করি।”
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার রোয়াজারহাট বাজারের রাঙ্গুনিয়া ক্লাব মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক সাংবাদিক এম. মতিন। রোয়জারহাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি গাজী জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে উদ্বোধক ছিলেন একেএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামানজার খান। বক্তব্য রাখেন একেএস খান হেলথকেয়ার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক নোমানুর রশিদ।
হুমাম কাদের চৌধুরীর আরও বলেন, “এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, বড় বড় বিল্ডিং হচ্ছে। সাথে পরিবেশটাও আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা যখন বিদেশ যায় দেখি, চারদিকে খুব পরিচ্ছন্ন। বিদেশ যদি পরিচ্ছন্ন হতে পারে, বাংলাদেশ কেনো পারবে না! তাই নিজের ঘরের থেকে ছোট একটা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, পরিচ্ছন্ন রাঙ্গুনিয়া গড়ার। ইতিমধ্যেই রাঙ্গুনিয়াবাসী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলছেন এই উদ্যোগ আরও আগে নেয়া উচিত ছিলো।”
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে পুরো রাঙ্গুনিয়াজুড়ে ২০০টি ময়লার বিন বসানো হয়েছে। ক্রমান্বয়ে আরও দেড়শোটি বিন বিভিন্ন স্থানে বসানো হচ্ছে। ছোট বিন থেকে বড় বিনে ময়লা ফেলার জন্য ২০টি বড় ডাস্টবিন বসানো হচ্ছে। ময়লা আনার জন্য দশটি নিজস্ব ভ্যানের ব্যবস্থা রয়েছে। এই কাজে ৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১৬ জন্য ভ্যান চালক, ১০ জন সুপারভাইজার এবং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২ জন প্রকল্প প্রধান নিয়োজিত আছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এম. মতিন, চট্টগ্রাম ব্যুরো 






































