শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ বেলকুচিতে অবৈধ সুতা রংয়ের কারখানা: জনস্বাস্থ্যে বিপদজনক প্রভাব

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় অবৈধভাবে স্থাপিত সুতা রংয়ের কারখানাগুলো স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এক বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। এসব কারখানায় ব্যবহৃত কেমিক্যাল ও রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি নদী, খাল, নালা এবং পুকুরে ফেলা হচ্ছে, যার ফলে এলাকাবাসী বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষত, বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্রমাটিয়া এবং বোল্ডার বাজার এলাকায় এ ধরনের কারখানার প্রভাব স্পষ্ট।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এসব কারখানায় ব্যবহৃত ক্ষতিকর কেমিক্যালের কারণে আশপাশের টিউবওয়েলগুলোর পানি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কেমিক্যাল বর্জ্যের দুর্গন্ধও তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এর ফলে, ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা পানিবাহিত রোগ ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে, সুতা কারখানার মালিকরা জানিয়েছেন যে, তাঁত শিল্পের উন্নতির জন্য এসব কারখানা চালানো প্রয়োজন, তবে তারা সাধারণ মানুষের অভিযোগের বিষয়ে সচেতন রয়েছেন। তবে, স্থানীয় প্রশাসন জানায় যে, অবৈধ সুতা রংয়ের কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং অনেক কারখানাকে জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর মিলে এই ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই অবস্থা যদি চলতে থাকে, তবে বেলকুচি উপজেলা শুধু পরিবেশগতভাবে বিপদাপন্ন হবে না, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করবে।
জনপ্রিয়

প্রচারণার প্রথম দিনেই মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে উৎসবের আমেজ বইছে

সিরাজগঞ্জ বেলকুচিতে অবৈধ সুতা রংয়ের কারখানা: জনস্বাস্থ্যে বিপদজনক প্রভাব

প্রকাশের সময় : ০৪:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় অবৈধভাবে স্থাপিত সুতা রংয়ের কারখানাগুলো স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এক বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। এসব কারখানায় ব্যবহৃত কেমিক্যাল ও রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি নদী, খাল, নালা এবং পুকুরে ফেলা হচ্ছে, যার ফলে এলাকাবাসী বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষত, বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্রমাটিয়া এবং বোল্ডার বাজার এলাকায় এ ধরনের কারখানার প্রভাব স্পষ্ট।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এসব কারখানায় ব্যবহৃত ক্ষতিকর কেমিক্যালের কারণে আশপাশের টিউবওয়েলগুলোর পানি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কেমিক্যাল বর্জ্যের দুর্গন্ধও তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এর ফলে, ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা পানিবাহিত রোগ ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে, সুতা কারখানার মালিকরা জানিয়েছেন যে, তাঁত শিল্পের উন্নতির জন্য এসব কারখানা চালানো প্রয়োজন, তবে তারা সাধারণ মানুষের অভিযোগের বিষয়ে সচেতন রয়েছেন। তবে, স্থানীয় প্রশাসন জানায় যে, অবৈধ সুতা রংয়ের কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং অনেক কারখানাকে জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর মিলে এই ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই অবস্থা যদি চলতে থাকে, তবে বেলকুচি উপজেলা শুধু পরিবেশগতভাবে বিপদাপন্ন হবে না, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করবে।