
যশোর অফিস
যশোর প্রকাশ্যে শহরের রাস্তায় এক নারীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মফিজুল ইসলাম ইমন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে শহরের পূর্ব বারান্দিপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ইমন শহরের পূর্ব বারান্দিপাড়া মাঠপাড়ার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে।
কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা গেছে একই এলাকার এক নারী (২৮) অভিযোগ করেন,তার স্বামী বাকিতে ইমনের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকার কাপড় নেন। এর বিনিময়ে তার স্বামী স্বাক্ষরিত দুটি চেক আসামি ইমনের কাছে দেন। পরবর্তীতে টাকা পরিশোধে দেরি হওয়ায় ইমন তার স্বামীর নামে ৭ লাখ টাকা পাওনার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিলে ইমন তাকে কুপ্রস্তাব দেন। ঘটনার দিন ১৮ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব বারান্দিপাড়া মসজিদের পাশের রাস্তায় ইমনের সঙ্গে দেখা হলে তিনি তাকে জপটে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানী করেন। এ সময় তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ইমন দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি কোতোয়ালি থানায় গিয়ে মামলা করেন।
কোতোয়ালি থানার এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পূর্ব বারান্দিপাড়া এলাকা থেকে ইমনকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে,আটক ইমনের বিরুদ্ধে যশোরের কোতোয়ালি, ঢাকার সাভার ও বরগুনা থানায় মোট ছয়টি মামলা রয়েছে।
তবে আসামি ইমনের পরিবারের দাবি,মামলাটি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। তারা জানান, ওই পরিবারের রেজা নামে এক ব্যক্তির কাছে ইমন টাকা পেতেন। দীর্ঘদিন ধরে পাওনা টাকা আদায়ের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ইমন আদালতে মামলা করেন। এর জের ধরেই পাল্টা হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
যশোর অফিস 






































