শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে যাত্রা শুরু অনলাইন বেইলবন্ডে আসামিদের দ্রুত মুক্তির

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
ই-বেইলবন্ড চালুর মাধ্যমে একজন বন্দিকে খুব দ্রুত মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনলাইনে বেইলবন্ড দেওয়ায় আসামিকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে না এক ঘণ্টায় মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে। এজন্য সিলেটের মৌলভীবাজারে চালু হয়েছে ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড)।
গত বুধবার (২১শে জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সচিবালয়ে এ সেবার উদ্বোধন করেন তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আইন উপদেষ্টা বলেন, এর আগে দশ থেকে বারো ধাপ পার হয়ে জামিন পেতেন আসামিরা। এতে মানুষের টাকা খরচ হতো এবং ভোগান্তিতে পড়তে হতো। তাছাড়া এই প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতো। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় কে কখন সাইন করলেন তার রেকর্ড থাকবে। ফলে চাইলেও কেউ এটাকে দীর্ঘায়িত করতে পারবে না।
উল্লেখ্য, বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারপ্রার্থী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে প্রচলিত বেইলবন্ড দাখিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে ই-বেইলবন্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ বিচারপ্রার্থী, কারা প্রশাসন ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ীও সহায়ক হবে বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারকরা।
জনপ্রিয়

সংসদ ভেঙে দিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাচি

মৌলভীবাজারে যাত্রা শুরু অনলাইন বেইলবন্ডে আসামিদের দ্রুত মুক্তির

প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
ই-বেইলবন্ড চালুর মাধ্যমে একজন বন্দিকে খুব দ্রুত মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনলাইনে বেইলবন্ড দেওয়ায় আসামিকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে না এক ঘণ্টায় মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে। এজন্য সিলেটের মৌলভীবাজারে চালু হয়েছে ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড)।
গত বুধবার (২১শে জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সচিবালয়ে এ সেবার উদ্বোধন করেন তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আইন উপদেষ্টা বলেন, এর আগে দশ থেকে বারো ধাপ পার হয়ে জামিন পেতেন আসামিরা। এতে মানুষের টাকা খরচ হতো এবং ভোগান্তিতে পড়তে হতো। তাছাড়া এই প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতো। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় কে কখন সাইন করলেন তার রেকর্ড থাকবে। ফলে চাইলেও কেউ এটাকে দীর্ঘায়িত করতে পারবে না।
উল্লেখ্য, বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারপ্রার্থী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে প্রচলিত বেইলবন্ড দাখিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে ই-বেইলবন্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ বিচারপ্রার্থী, কারা প্রশাসন ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও অর্থ ব্যয়ে সাশ্রয়ীও সহায়ক হবে বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারকরা।