রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে সরিষা ফুলে হলুদ গালিচা, বাম্পার ফলনের আশা

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
শীতের মৌসুমে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মাঠজুড়ে এখন হলুদ রঙের সমারোহ। দিগন্তজুড়ে সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠের পর মাঠ। সকালের হালকা বাতাসে দোল খাওয়া সরিষা ফুলে যেন প্রকৃতি নিজ হাতে হলুদের গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে।
২১ জানুয়ারি সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও জেলা সহ ২২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, চারদিকে সরিষা ফুলের সমারোহ। কোথাও কোথাও ফুল ঝরে গিয়ে ইতোমধ্যে সরিষার ফল ধরতে শুরু করেছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ জমিতে সরিষা ফুল শোভা পাচ্ছে এবং কিছু জমিতে ফল আসতে শুরু করেছে। চলতি ঠাকুরগাঁও জেলায়  মোট ১৭ হাজার ৩শ ৫ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা ১৪, ১৭, ১৮ ও ২০ জাতের আবাদ করা হয়েছে।
ঢোলারহাট গ্রামের কৃষক সুমন ইসলাম বলেন,এ বছর আমি ১ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। এ চাষে খরচ কম এবং পরিশ্রমও তুলনামূলক কম। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। আমার জমিতে ইতোমধ্যে ফল আসতে শুরু করেছে। আশা করছি দুই মাসের মধ্যেই সরিষা ঘরে তুলতে পারবো।
ভেলাজান গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি প্রতি বছরই সরিষা আবাদ করি এবং ভালো ফলন পাই। গত বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া বেশি অনুকূলে থাকায় ফলন আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।
আরেক কৃষক নজরুল ইসলাম  জানান, তিনি এ বছর ৩ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাঠে মাঠে এখন হলুদ ফুল শোভা পাচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ফুল থেকে ফল আসতে শুরু করবে। এরপর দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে সরিষা পাকতে শুরু করবে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি বৃধ মাজুদুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ও পরিবেশ সরিষা চাষের জন্য অনুকূলে রয়েছে। তীব্র শীত, কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে সরিষার তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
জনপ্রিয়

কুবিতে স্টুডেন্ট’স ইউনিয়ন অব নাঙ্গলকোট এর নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে সরিষা ফুলে হলুদ গালিচা, বাম্পার ফলনের আশা

প্রকাশের সময় : ০৩:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
শীতের মৌসুমে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মাঠজুড়ে এখন হলুদ রঙের সমারোহ। দিগন্তজুড়ে সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠের পর মাঠ। সকালের হালকা বাতাসে দোল খাওয়া সরিষা ফুলে যেন প্রকৃতি নিজ হাতে হলুদের গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে।
২১ জানুয়ারি সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও জেলা সহ ২২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, চারদিকে সরিষা ফুলের সমারোহ। কোথাও কোথাও ফুল ঝরে গিয়ে ইতোমধ্যে সরিষার ফল ধরতে শুরু করেছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ জমিতে সরিষা ফুল শোভা পাচ্ছে এবং কিছু জমিতে ফল আসতে শুরু করেছে। চলতি ঠাকুরগাঁও জেলায়  মোট ১৭ হাজার ৩শ ৫ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা ১৪, ১৭, ১৮ ও ২০ জাতের আবাদ করা হয়েছে।
ঢোলারহাট গ্রামের কৃষক সুমন ইসলাম বলেন,এ বছর আমি ১ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। এ চাষে খরচ কম এবং পরিশ্রমও তুলনামূলক কম। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। আমার জমিতে ইতোমধ্যে ফল আসতে শুরু করেছে। আশা করছি দুই মাসের মধ্যেই সরিষা ঘরে তুলতে পারবো।
ভেলাজান গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি প্রতি বছরই সরিষা আবাদ করি এবং ভালো ফলন পাই। গত বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া বেশি অনুকূলে থাকায় ফলন আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।
আরেক কৃষক নজরুল ইসলাম  জানান, তিনি এ বছর ৩ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাঠে মাঠে এখন হলুদ ফুল শোভা পাচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ফুল থেকে ফল আসতে শুরু করবে। এরপর দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে সরিষা পাকতে শুরু করবে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি বৃধ মাজুদুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ও পরিবেশ সরিষা চাষের জন্য অনুকূলে রয়েছে। তীব্র শীত, কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে সরিষার তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।