রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুবিতে রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের ১৩তম চার্টার্ড দিবস উদযাপন

কুবি প্রতিনিধি: শাহাবুদ্দীন শিহাব 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের(কুবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি’ এর ১৩তম চার্টার্ড দিবস উপলক্ষ্যে ‘অঙ্কুর’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর দুইটায় ব্যাডমিন্টন কোর্টে কেক কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্কুর অনুষ্ঠান উদযাপন শুরু হয়।
এরপর নাজমুস সাকিব এবং ফাহিমা সুলতানা রাতুয়ার সঞ্চালনায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে জাহান, রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি তানভীর আনজুৃম সজল বলেন, ‘দীর্ঘ ১৩ বছরের পথচলায় নেতৃত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমেই সংগঠনটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে।‘Fellowship Through Service’ এই মূলমন্ত্রকে তুলে ধরে আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজকেন্দ্রিক বৃহৎ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জন্য  সকলের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করছি।’
অধ্যাপক ড. মইনুল হোসেন বলেন, ‘আমরা কেবল নিজ নিজ অঞ্চলের প্রতিনিধি নই, আমরা সবাই গ্লোবাল সিটিজেন। এই বিশ্বকে মানব বাসযোগ্য ও টেকসই রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করাই রোটার‍্যাক্ট আন্দোলনের মূল দর্শন। সেবার মাধ্যমেই বন্ধন তৈরি হয়, নেতৃত্ব গড়ে ওঠে এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হয়। এই ধরনের সংঘটনের সাথে পথ চলার মাধ্যমে তৈরি হয় এই সব গুণ। সংগঠনের ধারাবাহিকতা ও লিগ্যাসি বজায় রাখতে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’
রোটারি ক্লাব অব লালমাইয়ের রেজবাউল হক রানা বলেন, ‘ ‘অঙ্কুর’ আজকের অনুষ্ঠানের তেরো বছর আগে রোপিত বীজ। যা আজ পরিপক্ব বৃক্ষে রূপ নিয়েছে, যেটি নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমেই টিকে থাকবে এবং ফল দেবে। রোটারি আন্দোলনের মূল দর্শন হলো মানবসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। রোটারি ও রোটার‍্যাক্ট শুধু সংগঠন নয়, এটি একটি নেতৃত্ব, মানবিকতা ও সমাজসেবার মাধ্যমে একজন মানুষকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। রোটারিতে আর্থিক লাভ নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও আত্মিক তৃপ্তিইটায় আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সমাজ ও মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে কাজ করার মাধ্যমে অঙ্কুরের সার্থকতা নিহিত।’
জনপ্রিয়

কুবিতে স্টুডেন্ট’স ইউনিয়ন অব নাঙ্গলকোট এর নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

কুবিতে রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের ১৩তম চার্টার্ড দিবস উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০৭:০২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
কুবি প্রতিনিধি: শাহাবুদ্দীন শিহাব 
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের(কুবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি’ এর ১৩তম চার্টার্ড দিবস উপলক্ষ্যে ‘অঙ্কুর’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর দুইটায় ব্যাডমিন্টন কোর্টে কেক কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অঙ্কুর অনুষ্ঠান উদযাপন শুরু হয়।
এরপর নাজমুস সাকিব এবং ফাহিমা সুলতানা রাতুয়ার সঞ্চালনায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে জাহান, রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি তানভীর আনজুৃম সজল বলেন, ‘দীর্ঘ ১৩ বছরের পথচলায় নেতৃত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমেই সংগঠনটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে।‘Fellowship Through Service’ এই মূলমন্ত্রকে তুলে ধরে আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজকেন্দ্রিক বৃহৎ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জন্য  সকলের সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করছি।’
অধ্যাপক ড. মইনুল হোসেন বলেন, ‘আমরা কেবল নিজ নিজ অঞ্চলের প্রতিনিধি নই, আমরা সবাই গ্লোবাল সিটিজেন। এই বিশ্বকে মানব বাসযোগ্য ও টেকসই রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করাই রোটার‍্যাক্ট আন্দোলনের মূল দর্শন। সেবার মাধ্যমেই বন্ধন তৈরি হয়, নেতৃত্ব গড়ে ওঠে এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হয়। এই ধরনের সংঘটনের সাথে পথ চলার মাধ্যমে তৈরি হয় এই সব গুণ। সংগঠনের ধারাবাহিকতা ও লিগ্যাসি বজায় রাখতে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’
রোটারি ক্লাব অব লালমাইয়ের রেজবাউল হক রানা বলেন, ‘ ‘অঙ্কুর’ আজকের অনুষ্ঠানের তেরো বছর আগে রোপিত বীজ। যা আজ পরিপক্ব বৃক্ষে রূপ নিয়েছে, যেটি নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমেই টিকে থাকবে এবং ফল দেবে। রোটারি আন্দোলনের মূল দর্শন হলো মানবসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। রোটারি ও রোটার‍্যাক্ট শুধু সংগঠন নয়, এটি একটি নেতৃত্ব, মানবিকতা ও সমাজসেবার মাধ্যমে একজন মানুষকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। রোটারিতে আর্থিক লাভ নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও আত্মিক তৃপ্তিইটায় আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সমাজ ও মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে কাজ করার মাধ্যমে অঙ্কুরের সার্থকতা নিহিত।’