সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কমলগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্ৰেনেড উদ্ধার 

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বসতবাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেড পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করতে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ২৪শে জানুয়ারি সকালে পতনউষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে এই গ্রেনেড পাওয়া যায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে একটি পুকুর আছে। সেই পুকুরে কয়েকদিন আগে মাছ মারা হয়েছে। এসময় এই গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। তবে না বুঝেই পাশেই জমির মধ্যে একটি খাদে ফেলে দেওয়া হয়। শনিবার সকালে মিন্নত আলী ঘাস কাটাতে গেলে গ্রেনেডটি দেখে পতনঊষার ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার নেছার আহমেদ জুনেদকে জানান পরে তিনি পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ এসে লাল ফ্লেগ লাগিয়ে জায়গাটি সংরক্ষণ করে ঘিরে রেখেছে।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন গ্রেনেডটি বহু পুরোনো এবং ধারণা করা হচ্ছে, এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের। কারন ওই এলাকায় অবস্থিত শমশেরনগর বিমানবন্দরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অবস্থান করত। স্থানীয়দের মতে, সেসময় ব্যবহৃত কোনো বিস্ফোরক এখানে এসে পড়তে পারে। এর আগেও ২০২৪ সালের জুলাই মাসে একই গ্রাম থেকে আরও একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রেখেছি। সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করেন।
জনপ্রিয়

আমি পদত্যাগ করিনি

কমলগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্ৰেনেড উদ্ধার 

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বসতবাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত অবস্থায় গ্রেনেড পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করতে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ২৪শে জানুয়ারি সকালে পতনউষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে এই গ্রেনেড পাওয়া যায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে একটি পুকুর আছে। সেই পুকুরে কয়েকদিন আগে মাছ মারা হয়েছে। এসময় এই গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। তবে না বুঝেই পাশেই জমির মধ্যে একটি খাদে ফেলে দেওয়া হয়। শনিবার সকালে মিন্নত আলী ঘাস কাটাতে গেলে গ্রেনেডটি দেখে পতনঊষার ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার নেছার আহমেদ জুনেদকে জানান পরে তিনি পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ এসে লাল ফ্লেগ লাগিয়ে জায়গাটি সংরক্ষণ করে ঘিরে রেখেছে।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন গ্রেনেডটি বহু পুরোনো এবং ধারণা করা হচ্ছে, এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের। কারন ওই এলাকায় অবস্থিত শমশেরনগর বিমানবন্দরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অবস্থান করত। স্থানীয়দের মতে, সেসময় ব্যবহৃত কোনো বিস্ফোরক এখানে এসে পড়তে পারে। এর আগেও ২০২৪ সালের জুলাই মাসে একই গ্রাম থেকে আরও একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রেখেছি। সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করেন।