রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি হাসনাতের

ছবি-সংগৃহীত

পটুয়াখালী-২ আসনে ১০ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী সমাবেশ থেকে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে বাউফল পাবলিক মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। প্রশাসনের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা না নিয়ে যদি আবারও রাতের ভোট বা একতরফা নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা তরুণ প্রজন্ম মেনে নেবে না। এতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘অতীতের মতো এবারও প্রশাসনের একটি অংশ একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে অতীতেও দেশে সহিংস ঘটনার নজির রয়েছে।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে ধানের শীষে ভোট না দেয়ার অভিযোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সহিংসতার এই সংস্কৃতি এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘বর্তমানে একটি দল এখনো ক্ষমতায় না গেলেও ১০ দলীয় জোটের পক্ষে ভোট চাওয়ার কারণে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনকালীন পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।’

হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, ‘অতীতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের একটি অংশের সহযোগিতায় ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বারবার ক্ষমতায় থেকেছে। তার ভাষ্য, এবারও কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তা ক্ষমতাকেন্দ্রের দিকে ঝুঁকছেন এবং নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হক এবং আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদীর পুত্র শামিম সাইদী। বক্তারা শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

১০ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত এই সমাবেশ ঘিরে পটুয়াখালী–২ আসনের নির্বাচনী মাঠে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।
জনপ্রিয়

টানা দু’দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে বিরাজ করছে

প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি হাসনাতের

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালী-২ আসনে ১০ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী সমাবেশ থেকে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে বাউফল পাবলিক মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। প্রশাসনের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা না নিয়ে যদি আবারও রাতের ভোট বা একতরফা নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা তরুণ প্রজন্ম মেনে নেবে না। এতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘অতীতের মতো এবারও প্রশাসনের একটি অংশ একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে অতীতেও দেশে সহিংস ঘটনার নজির রয়েছে।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে ধানের শীষে ভোট না দেয়ার অভিযোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সহিংসতার এই সংস্কৃতি এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘বর্তমানে একটি দল এখনো ক্ষমতায় না গেলেও ১০ দলীয় জোটের পক্ষে ভোট চাওয়ার কারণে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনকালীন পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।’

হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, ‘অতীতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের একটি অংশের সহযোগিতায় ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বারবার ক্ষমতায় থেকেছে। তার ভাষ্য, এবারও কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তা ক্ষমতাকেন্দ্রের দিকে ঝুঁকছেন এবং নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হক এবং আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদীর পুত্র শামিম সাইদী। বক্তারা শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।

১০ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত এই সমাবেশ ঘিরে পটুয়াখালী–২ আসনের নির্বাচনী মাঠে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।