বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি

স্টাফ রিপোর্টার

বেনাপোল স্থলবন্দর  দিয়ে ভারত থেকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় ৮টি ট্রাকে করে বিস্ফোরক দ্রব্যের চালানটি বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট  ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। আমদানিকৃত পণ্য চালানটি অত্যন্ত বিপজ্জনক শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় বন্দর এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের খনন কাজ পরিচালনার জন্য এই বিস্ফোরকগুলো আমদানি করা হয়েছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড’ এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের ‘সুপার শিভ শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড।

বিপজ্জনক পণ্য হওয়ায় জনবহুল বন্দর এলাকায় এই বিস্ফোরক রাখা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বিস্ফোরকের চালানটি বন্দরে প্রবেশের পর থেকেই কাস্টমস, বন্দর নিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিয়মিত তদারকি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

জনপ্রিয়

কুবিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন

বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি

প্রকাশের সময় : ০১:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

বেনাপোল স্থলবন্দর  দিয়ে ভারত থেকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় ৮টি ট্রাকে করে বিস্ফোরক দ্রব্যের চালানটি বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট  ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। আমদানিকৃত পণ্য চালানটি অত্যন্ত বিপজ্জনক শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় বন্দর এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের খনন কাজ পরিচালনার জন্য এই বিস্ফোরকগুলো আমদানি করা হয়েছে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড’ এবং রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের ‘সুপার শিভ শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড।

বিপজ্জনক পণ্য হওয়ায় জনবহুল বন্দর এলাকায় এই বিস্ফোরক রাখা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বিস্ফোরকের চালানটি বন্দরে প্রবেশের পর থেকেই কাস্টমস, বন্দর নিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নিয়মিত তদারকি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।