বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উৎসবমুখর পরিবেশে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উদ্যাপন

দেশের সব জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো বার্ষিক ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি’, যা জনগণকে গ্রন্থাগারমুখী করা, পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং মননশীল সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে লাইব্রেরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করতে উদ্দীপনা জাগাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘গ্রন্থাগার ও জ্ঞানচর্চা: একুশ শতকের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব  মো. মফিদুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমাসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

দিবসটি উপলক্ষে শুধুমাত্র রাজধানীতে নয়, দেশের সব জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি, বাংলাদেশ গ্রন্থকারিক ও তথ্যায়নবিদ সমিতি, বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতি, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি পেশাজীবী এবং ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একযোগে দিবসটি উদযাপন করে।

দেশের সব জেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন নিজেদের কর্মসূচি অনুযায়ী দিবসটি পালনের মাধ্যমে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং জ্ঞানচর্চার গুরুত্বের প্রতি নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

উৎসবমুখর পরিবেশে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উদ্যাপন

প্রকাশের সময় : ০৪:০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের সব জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো বার্ষিক ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি’, যা জনগণকে গ্রন্থাগারমুখী করা, পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং মননশীল সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে লাইব্রেরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করতে উদ্দীপনা জাগাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘গ্রন্থাগার ও জ্ঞানচর্চা: একুশ শতকের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব  মো. মফিদুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনীষ চাকমাসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

দিবসটি উপলক্ষে শুধুমাত্র রাজধানীতে নয়, দেশের সব জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন, আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ গ্রন্থাগার সমিতি, বাংলাদেশ গ্রন্থকারিক ও তথ্যায়নবিদ সমিতি, বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতি, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি পেশাজীবী এবং ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একযোগে দিবসটি উদযাপন করে।

দেশের সব জেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন নিজেদের কর্মসূচি অনুযায়ী দিবসটি পালনের মাধ্যমে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং জ্ঞানচর্চার গুরুত্বের প্রতি নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।