
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের চূড়ান্ত ফল করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি ২১৩, জামায়াত ৬৮, এনসিপি ৫, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১, গণঅধিকার পরিষদ ১, জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১, গণসংহতি আন্দোলন ১ ও সতন্ত্র ৭ জন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
শুক্রবার দুুপুরে নির্বাচন কমিশন এসব তথ্য জানিয়েছে।
তিনটি আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখবে নির্বাচন কমিশন। আসনগুলো হলো, শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ এবং চট্টগ্রাম-৪। স্থগিতের কারণ হলো- আপিল বিভাগের বিচারাধীন মামলা, আইনি বাধ্যবাধকতা ও আদালতের চূড়ান্ত আদেশ সাপেক্ষে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
চট্টগ্রাম-৪ (আসলাম চৌধুরী) ইসির জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ (মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬ হতে উদ্বৃত) এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনি এলাকা ২৮১, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে ওই মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় কমিশন ফল স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।
চট্টগ্রাম-২ (সরোয়ার আলমগীর) একইভাবে চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের বিষয়ে জানানো হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬-এর (রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬ হতে উদ্বৃত) ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের প্রেক্ষিতে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে বলে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শেরপুর-২ (মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী) এদিকে শেরপুর-২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর বিষয়ে জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬-এর (রিট পিটিশন নং ১১৮৬/২০২৬ হতে উদ্বৃত) ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে ওই মামলার চূড়ান্ত আদেশের ওপরই মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভরশীল হবে মর্মে সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ঢাকা ব্যূরো।। 




































