রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়িতে দুটি আসনে ৯ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ছবি-সংগৃহীত

রাজবাড়ি প্রতিনিধি 
রাজবাড়ীর দুটি সংসদীয় আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের মধ্যে ৯ জনই জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী, মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় তারা জামানত ফেরত পাচ্ছেন না। জামানত হারানোদের তালিকায় বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছেন।
রাজবাড়ী-১ (সদর-গোয়ালন্দ) আসনে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ৬৩ দশমিক ২০ শতাংশ ভোট পড়ে, মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩০৬।
বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এক লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম পান ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট।
অন্যদিকে, জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী কাঞ্চন পান ৮ হাজার ৮৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বাচ্চু পান ২ হাজার ৫৮৬ ভোট। মোট প্রাপ্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে এক লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী জামিল হিজাজী (সাইয়েদ জামিল) পান ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোট পড়ে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৫। এর এক অষ্টমাংশ দাঁড়ায় ৪৪ হাজার ২৩৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাত প্রার্থীর কেউই এ সংখ্যা অর্জন করতে পারেননি। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কলস প্রতীকের নাসিরুল হক সাবু তৃতীয় অবস্থানে থেকে পান ৩৬ হাজার ৩৩৮ ভোট, যা প্রয়োজনীয় সীমার নিচে।
ফলে রাজবাড়ী-২ আসনে সাত প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, কোনো প্রার্থী যদি মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পান, তাহলে তিনি নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দেওয়া জামানতের অর্থ ফেরত পান না।
জনপ্রিয়

ভিনিসিউসের নৈপুণ্যে শীর্ষে রিয়াল

রাজবাড়িতে দুটি আসনে ৯ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রাজবাড়ি প্রতিনিধি 
রাজবাড়ীর দুটি সংসদীয় আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের মধ্যে ৯ জনই জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী, মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় তারা জামানত ফেরত পাচ্ছেন না। জামানত হারানোদের তালিকায় বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছেন।
রাজবাড়ী-১ (সদর-গোয়ালন্দ) আসনে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ৬৩ দশমিক ২০ শতাংশ ভোট পড়ে, মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩০৬।
বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এক লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম পান ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট।
অন্যদিকে, জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী কাঞ্চন পান ৮ হাজার ৮৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বাচ্চু পান ২ হাজার ৫৮৬ ভোট। মোট প্রাপ্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে এক লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী জামিল হিজাজী (সাইয়েদ জামিল) পান ৬৭ হাজার ২৯৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোট পড়ে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৫। এর এক অষ্টমাংশ দাঁড়ায় ৪৪ হাজার ২৩৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাত প্রার্থীর কেউই এ সংখ্যা অর্জন করতে পারেননি। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কলস প্রতীকের নাসিরুল হক সাবু তৃতীয় অবস্থানে থেকে পান ৩৬ হাজার ৩৩৮ ভোট, যা প্রয়োজনীয় সীমার নিচে।
ফলে রাজবাড়ী-২ আসনে সাত প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, কোনো প্রার্থী যদি মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম পান, তাহলে তিনি নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দেওয়া জামানতের অর্থ ফেরত পান না।