রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমপিদের বেতন কত টাকা?

ছবি-সংগৃহীত

নতুন সংসদ গঠনের সঙ্গে সঙ্গে জানানো হলো, বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের (এমপিদের) বেতন ও সুবিধাসমূহ কেমন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সংসদ সদস্যদের বেতন ও ভাতা ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট (রিমিউনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার, ১৯৭৩’ অনুযায়ী নির্ধারিত, যা সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছে।  নিয়ম অনুযায়ী: মূল বেতন ৫৫,০০০ টাকা, নির্বাচনী এলাকা পরিচালনার ভাতা ১২,৫০০ টাকা,আপ্যায়ন ভাতা ৫,০০০ টাকা,  পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা (জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনসহ), অফিস খরচ ভাতা ১৫,০০০ টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা,বিবিধ খরচ ভাতা ৬,০০০ টাকা।

সাংসদদের জন্য আরও রয়েছে বিশেষ সুবিধা: গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস শুল্ক, ভ্যাট ও করমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ। দায়িত্বকাল শেষ হলে আবার নতুন গাড়ি নেওয়া যায়। অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে বছরে সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা ভ্রমণ ভাতা বা বিকল্প ট্রাভেল পাস। দায়িত্বকালীন দৈনিক ভাতা ৭৫০ টাকা, যাতায়াত ভাতা৭৫ টাকা , সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকলে দৈনিক ভাতা ৮০০ টাকা, যাতায়াত ভাতা ২০০ টাকা। চিকিৎসা সুবিধা: সংসদ সদস্য ও পরিবারের জন্য সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসাভাতা। দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বে ১০ লাখ টাকা সরকারি বীমা। বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহারের সুযোগ। টেলিফোন সুবিধা মাসিক ৭,৮০০ টাকা সরকারি খরচে কল ও ভাড়া।
উল্লেখযোগ্য, সবশেষে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলোসংসদ সদস্যরা যে ভাতাগুলো পান, সেগুলো আয়করমুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। সব মিলিয়ে দেখা যায়, সংসদ সদস্যদের বেতন ছাড়াও দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে বিভিন্ন খাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত একাধিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।

জনপ্রিয়

ভিনিসিউসের নৈপুণ্যে শীর্ষে রিয়াল

এমপিদের বেতন কত টাকা?

প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন সংসদ গঠনের সঙ্গে সঙ্গে জানানো হলো, বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের (এমপিদের) বেতন ও সুবিধাসমূহ কেমন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ২৯৭ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সংসদ সদস্যদের বেতন ও ভাতা ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট (রিমিউনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার, ১৯৭৩’ অনুযায়ী নির্ধারিত, যা সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছে।  নিয়ম অনুযায়ী: মূল বেতন ৫৫,০০০ টাকা, নির্বাচনী এলাকা পরিচালনার ভাতা ১২,৫০০ টাকা,আপ্যায়ন ভাতা ৫,০০০ টাকা,  পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা (জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনসহ), অফিস খরচ ভাতা ১৫,০০০ টাকা, লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা,বিবিধ খরচ ভাতা ৬,০০০ টাকা।

সাংসদদের জন্য আরও রয়েছে বিশেষ সুবিধা: গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস শুল্ক, ভ্যাট ও করমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ। দায়িত্বকাল শেষ হলে আবার নতুন গাড়ি নেওয়া যায়। অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে বছরে সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা ভ্রমণ ভাতা বা বিকল্প ট্রাভেল পাস। দায়িত্বকালীন দৈনিক ভাতা ৭৫০ টাকা, যাতায়াত ভাতা৭৫ টাকা , সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকলে দৈনিক ভাতা ৮০০ টাকা, যাতায়াত ভাতা ২০০ টাকা। চিকিৎসা সুবিধা: সংসদ সদস্য ও পরিবারের জন্য সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা এবং মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসাভাতা। দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বে ১০ লাখ টাকা সরকারি বীমা। বছরে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহারের সুযোগ। টেলিফোন সুবিধা মাসিক ৭,৮০০ টাকা সরকারি খরচে কল ও ভাড়া।
উল্লেখযোগ্য, সবশেষে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলোসংসদ সদস্যরা যে ভাতাগুলো পান, সেগুলো আয়করমুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। সব মিলিয়ে দেখা যায়, সংসদ সদস্যদের বেতন ছাড়াও দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে বিভিন্ন খাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত একাধিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।