বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটের চারটি আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

সোহেল রানা বাবু,বাগেরহাট প্রতিনিধি     
‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী ২৩জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনই জামানত হারাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ন্যূনতম সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া আলোচিত মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমের বাগেরহাট-১ ও বাগেরহাট-৩ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আবু আনছার এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
‎বাগেরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫২২টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৯ হাজার ৯৪২ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম, বিএনপির দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ রানা, জাতীয় পার্টির স.ম. গোলাম সরোয়ার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) আ. সবুর শেখ ও মুসলিম লীগের এম. ডি. শামসুল হক ও এবি পার্টির মো. আমিনুল ইসলামের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট-কচুয়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ২৪৫টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৮ হাজার ৯৪৯ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৯টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৩ হাজার ২৯৪ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ জিল্লুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৮৫টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার ৯৫০ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় বিএনপির দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওমর ফারুক ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আ. লতিফ খানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জনপ্রিয়

সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে জেলা বিএনপির সংবর্ধনা

বাগেরহাটের চারটি আসনে ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সোহেল রানা বাবু,বাগেরহাট প্রতিনিধি     
‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী ২৩জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনই জামানত হারাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ন্যূনতম সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া আলোচিত মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমের বাগেরহাট-১ ও বাগেরহাট-৩ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আবু আনছার এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
‎বাগেরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫২২টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৯ হাজার ৯৪২ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিম, বিএনপির দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ রানা, জাতীয় পার্টির স.ম. গোলাম সরোয়ার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) আ. সবুর শেখ ও মুসলিম লীগের এম. ডি. শামসুল হক ও এবি পার্টির মো. আমিনুল ইসলামের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট-কচুয়া) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ২৪৫টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৮ হাজার ৯৪৯ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৯টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৩ হাজার ২৯৪ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ জিল্লুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
‎বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৮৫টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার ৯৫০ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় বিএনপির দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওমর ফারুক ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আ. লতিফ খানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।