সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির মন্ত্রীসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা?

ছবি-সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি এখন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন মন্ত্রিসভার চেহারা কেমন হবে এবং সেখানে কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মুক্ত আলোচনায় জানা গেছে, বিএনপি নতুন মন্ত্রিসভা ‘ছোট’ করার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে ৪৩টি মন্ত্রণালয় থাকা সরকারের কাঠামোকে কমিয়ে ৩০টির নিচে নামানোর প্রস্তাব রয়েছে। একাধিক মন্ত্রণালয় একত্রিত করার চিন্তাও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সড়ক পরিবহন ও রেল একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় আসতে পারে। দলের লক্ষ্য হলো সরকারকে কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহি মানসম্পন্ন করা।

নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হবে অভিজ্ঞ ও নবীন নেতাদের মিশ্রণে। অভিজ্ঞ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পাবেন, আর তরুণ, মেধাবী নেতাদের উপমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। নারীর পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বও নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যারা মন্ত্রিসভায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তারা হলেন:

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

নারীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন: স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান,  কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২ থেকে জয়ী)।

তরুণ নেতাদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন: লক্ষ্মীপুর সদর থেকে জয়ী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, টাঙ্গাইল-৫ থেকে জয়ী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা-৬ থেকে জয়ী ইশরাক হোসেন। মিত্র দলের মধ্যে যারা ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হয়েছেন, তারা হলেন: ঢাকা-১৩ থেকে ববি হাজ্জাজ, লক্ষ্মীপুর-১ থেকে শাহাদাত হোসেন সেলিম।

মিত্র দলের জয়ী নেতারা: আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি), জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি আন্দোলন), নুরুল হক নুর (গণঅধিকার আন্দোলন)। নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়া হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায়, সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এরপর বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত থাকবেন।

যেসব সিনিয়র নেতা এবার মন্ত্রিসভায় থাকছেন না, তারা প্রধানমন্ত্রীকে উপদেষ্টা হিসেবে সহযোগিতা করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, নজরুল ইসলাম খানকে তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হতে পারে। চূড়ান্ত মন্ত্রিসভার নাম ও মন্ত্রণালয় বন্টন শপথ অনুষ্ঠানের পরই প্রকাশিত হবে।

জনপ্রিয়

অবসরে উপদেষ্টারা কে কী করবেন?

বিএনপির মন্ত্রীসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা?

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি এখন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন মন্ত্রিসভার চেহারা কেমন হবে এবং সেখানে কারা স্থান পাবেন, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মুক্ত আলোচনায় জানা গেছে, বিএনপি নতুন মন্ত্রিসভা ‘ছোট’ করার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে ৪৩টি মন্ত্রণালয় থাকা সরকারের কাঠামোকে কমিয়ে ৩০টির নিচে নামানোর প্রস্তাব রয়েছে। একাধিক মন্ত্রণালয় একত্রিত করার চিন্তাও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সড়ক পরিবহন ও রেল একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় আসতে পারে। দলের লক্ষ্য হলো সরকারকে কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহি মানসম্পন্ন করা।

নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হবে অভিজ্ঞ ও নবীন নেতাদের মিশ্রণে। অভিজ্ঞ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পাবেন, আর তরুণ, মেধাবী নেতাদের উপমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। নারীর পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বও নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যারা মন্ত্রিসভায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তারা হলেন:

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

নারীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন: স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান,  কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২ থেকে জয়ী)।

তরুণ নেতাদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন: লক্ষ্মীপুর সদর থেকে জয়ী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, টাঙ্গাইল-৫ থেকে জয়ী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা-৬ থেকে জয়ী ইশরাক হোসেন। মিত্র দলের মধ্যে যারা ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হয়েছেন, তারা হলেন: ঢাকা-১৩ থেকে ববি হাজ্জাজ, লক্ষ্মীপুর-১ থেকে শাহাদাত হোসেন সেলিম।

মিত্র দলের জয়ী নেতারা: আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি), জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি আন্দোলন), নুরুল হক নুর (গণঅধিকার আন্দোলন)। নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়া হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায়, সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এরপর বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত থাকবেন।

যেসব সিনিয়র নেতা এবার মন্ত্রিসভায় থাকছেন না, তারা প্রধানমন্ত্রীকে উপদেষ্টা হিসেবে সহযোগিতা করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, নজরুল ইসলাম খানকে তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হতে পারে। চূড়ান্ত মন্ত্রিসভার নাম ও মন্ত্রণালয় বন্টন শপথ অনুষ্ঠানের পরই প্রকাশিত হবে।