
ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম সহনীয় রাখতে এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে জারি করা আলাদা দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি ক্রয়ের ক্ষেত্রে গ্রাহকের ওপর বিদ্যমান মূসকভার প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে আশা করছে এনবিআর। বিদ্যমান ব্যবস্থায় এলপি গ্যাস সরবরাহের বিভিন্ন স্তরে ভিন্ন ভিন্ন কর আরোপিত ছিল। এনবিআরের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী: স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ আগাম কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর আবেদন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে জনস্বার্থে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো শিল্পখাত ও গৃহস্থালি ব্যবহারের অপরিহার্য এই জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দাম বজায় রাখা।
এনবিআরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আগে আমদানির পর স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজনের ওপর যে ভ্যাট দিতে হতো, তা এখন আর কার্যকর থাকছে না। ফলে আমদানির পরবর্তী ধাপগুলোতে করের বোঝা থাকছে না বললেই চলে। সংস্থাটির হিসাবে, এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি কেনার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ মূসকভার হ্রাস পাবে।
এই নতুন কর কাঠামো সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে এবং আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি খুচরা পর্যায়ে দামের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 







































