বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা

সরকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে জনগণের প্রত্যাশা : বাংলাদেশ ন্যাপ  

Christmas holiday modern layered red green background.

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ঐতিহাসিক বিজয় ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহন করায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, তারেক রহমান দেশ পরিচালনায় একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবেন, সরকারের সকল স্তরের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে এটাই আজ জনগণের প্রত্যাশা।’

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রæয়ারী) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘জনগণের বিপুল সমর্থনে অর্জিত বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায় সূচনা করলো। দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান যে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, ধৈর্য ও কৌশলগত সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে। এই বিজয় ও শপথ জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্খার প্রতিফলন।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘গত ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছিল নানা সংকট, বিভাজন ও দমন-পীড়নে চিহ্নিত। বিরোধী রাজনীতির ওপর কঠোর নজরদারি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত সরকার এসকল অভিযোগ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখবেন বলেই জনগন প্রত্যাশা করে।’

তারা বলেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোষহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন এই প্রত্যাশা দেশবাসীর। জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের যে দর্শন দেশবাসীর কন্ঠে উচ্চারিত হয় তারেক রহমান তার আধুনিক রূপায়ণ ঘটাবেন বলেই আশা করি।’

নেতৃদ্বয় আশা প্রকাশ করেন যে, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে উদ্যোগী হবে, বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে তিনি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, যুবসমাজের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করবে।’

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয়, ‘দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার পরিবারের সদস্য, এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক সফলতা কামনা করে।’

জনপ্রিয়

রাজবাড়ীতে বিষাক্ত তামাক চাষে ঝুকছে কৃষক, খাদ্য শস্য উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা

সরকার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে জনগণের প্রত্যাশা : বাংলাদেশ ন্যাপ  

প্রকাশের সময় : ০৫:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ঐতিহাসিক বিজয় ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহন করায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, তারেক রহমান দেশ পরিচালনায় একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবেন, সরকারের সকল স্তরের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে এটাই আজ জনগণের প্রত্যাশা।’

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রæয়ারী) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘জনগণের বিপুল সমর্থনে অর্জিত বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায় সূচনা করলো। দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান যে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, ধৈর্য ও কৌশলগত সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে। এই বিজয় ও শপথ জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্খার প্রতিফলন।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘গত ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছিল নানা সংকট, বিভাজন ও দমন-পীড়নে চিহ্নিত। বিরোধী রাজনীতির ওপর কঠোর নজরদারি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত সরকার এসকল অভিযোগ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখবেন বলেই জনগন প্রত্যাশা করে।’

তারা বলেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোষহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন এই প্রত্যাশা দেশবাসীর। জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের যে দর্শন দেশবাসীর কন্ঠে উচ্চারিত হয় তারেক রহমান তার আধুনিক রূপায়ণ ঘটাবেন বলেই আশা করি।’

নেতৃদ্বয় আশা প্রকাশ করেন যে, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে উদ্যোগী হবে, বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে তিনি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, যুবসমাজের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করবে।’

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয়, ‘দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার পরিবারের সদস্য, এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক সফলতা কামনা করে।’