
রাজবাড়ী প্রতিবেদক
রাজবাড়ীতে বিস্তৃত মাঠ জুড়ে চাষ হয়ছে বিষাক্ত তামাক । বিভিন্ন তামাক কোম্পানি আর্থিক সহায়তা, তামাক বীজ, সার, কীটনাশক বিতরণ করছে কৃষকদের, কোম্পানি ফাদে পড়ে কৃষকরা ঝুকছে তামাক চাষে এতে একদিকে যেমন কৃষক স্বাস্থ্য ঝুকিতে পরছে অন্যদিকে খাদ্য শস্য উৎপাদন ব্যহত হওয়ার সংঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে এবছর রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলায় ১০, পাংশাতে ১, কালুখালী ৮, বালিয়াকান্দি ৪ ও গোয়ালন্দে ১০ হেক্টর সহ মোট ৩৩ হেক্টর জমিতে তামাক আবাদ হয়ছে যা গতবছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। সরেজমিনে জেলা সদর উপজেলার চন্দনি ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় মাঠ কে মাঠ বিষাক্ত তামাকের ক্ষেত। কোন কৃষক পরিচর্চা করছে আবার কেউ তামাক গাছ থেকে পাতা সংগ্রহ করছেন।
ধাওয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও চাষি মো বাদশা শেখ বলেন আমি গতবছর ৬ বিঘা জমিতে তামাক আবাদ করছি লাভ হয়ছে এজন্য এবছরে ১২বিঘা জমিতে চাষ করছি।
জৌকুড়া গ্রামের মো কাশেম মন্ডল বলেন , ৭৫ শতাংশ জমিতে তামাক আবাদ করছি, তামাক কোম্পানি তামাক চাষে সহযোগিতা করে, মনে করেন লোন দেয় ক্ষেতে কাজ করার জন্য পোশাক, জুতা দেয়, তারাই আবার কিনে নেয় আমাদের কোন ঝামেলা হয় না।
আরেক চাষি মো আতর আলি সরদার বলেন এক বিঘা জমিতে তামাক চাষে খরচ হয় বিশ থেকে পঁচিশ হাজার টাকা। কোম্পানি আমাদের বীজ দেয়ে সার দেয় আবার টাকাও দেয় তামাক চাষ খুব সহজে করা যায় তারা সার্বক্ষিন খোজ খবর নেয়। খেত থেকে পাতা ভাঙার পর প্রক্রিয়া শেষ হলেই তারাই কিনে নেয় এবং সম্পূর্ণ টাকা ব্যংকের মাধ্যমে কোম্পানি আমাদের দিয়ে দেয়। অন্যান ফসল থেকে তামাকে আবাদে লাভও বেশি হয়।
রাজবাড়ী জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. মো শহিদুল ইসলাম বলেন আগে রাজবাড়ী জেলাতে তামাকের চাষ বেশি ছিল না পাশ্ববর্তী জেলাতে চাষ হওয়ায় এর প্রভাব পরেছে, এছারা তামাকের বিভিন্ন কোম্পানি কৃষকদের নগদ অর্থায়ন করে উদ্ভুদ্ধ করছে। আমাদের কৃষি অধিদপ্তর থেকে তমাক চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করছি কারন এটা মাদক জাতীয় উদ্ভিদ। তামাক চাষে আগাম শীতকালীন রবি শস্য উৎপাদন কিছুটা ব্যহত হলেও আমরা কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন সবজি চাষে তাদের উদ্ভুদ্ধ করছি, এছারা প্রনোদনার উপকরণ দিয়েও আমরা চেষ্টা করছি তারা যেন তামাক চাষে না আগায়। এজন্য আমাদের কৃষি কর্মকর্তা উপসহকারী কর্মকর্তকরা নিয়মিত উঠান বৈঠক মাঠ দিবস সহ ট্রেনিং প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কৃষকদের নিরুৎসাহ করতে কাজ করছে।
রাজবাড়ী প্রতিবেদক 






































