শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • যশোর অফিস
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২
যশোর অফিস
অপহরণ মামলায় আসামি করে পুলিশি হয়রানি ও মারধরের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামের গৃহবধূ আন্না খাতুন। মঙ্গলবার প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে আন্না খাতুনের পক্ষে তার ছেলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন,গত ৮ জানুয়ারি একই গ্রামের আলতাপ হোসেনের ছেলে তসলিম আলম লিটন তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শাহরিয়া মুন পাখিকে অপহরণের অভিযোগে বাঘারপাড়া থানায় তার ছেলে আহম্মেদ অন্তর, স্বামী রবিউল ইসলাম ও তাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তিনি দাবি করেন,প্রকৃতপক্ষে তার ছেলে আহম্মেদ অন্তরের সঙ্গে মুন পাখির পারিবারিক যোগাযোগের সূত্রে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পরিবার তা মেনে নেয়নি। একপর্যায়ে মুন পাখি তাদের বাড়িতে এসে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আলোচনা হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখে শর্তসাপেক্ষে মুন পাখিকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আন্না খাতুন বলেন, গত ৩ ডিসেম্বর মুন পাখি আবার তাদের বাড়িতে আসে এবং পরে তার ছেলে আহম্মেদ অন্তরের সঙ্গে বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে ছেলের কোনো যোগাযোগ নেই। “আমার ছেলে তাকে অপহরণ করেনি। তারপরও আমরা মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছি,”বলেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন,মামলার পর থেকে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ নিয়মিত তাদের বাড়িতে হানা দিচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছে। মুন পাখিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার স্বামী রবিউল ইসলাম ইতোমধ্যে জেল খেটেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে থানার উপপরিদর্শক প্রসেনজিৎ-এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের বাড়িতে অভিযান চালায় বলে অভিযোগ করেন আন্না খাতুন। এ সময় বাড়িতে থাকা তার ছোট ছেলে বায়জিদকে বড় ছেলে অন্তরের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। কিছু জানাতে না পারায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
জনপ্রিয়

যশোরে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

যশোরে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময় : ০৭:০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
যশোর অফিস
অপহরণ মামলায় আসামি করে পুলিশি হয়রানি ও মারধরের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামের গৃহবধূ আন্না খাতুন। মঙ্গলবার প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে আন্না খাতুনের পক্ষে তার ছেলে সংবাদ সম্মেলনে বলেন,গত ৮ জানুয়ারি একই গ্রামের আলতাপ হোসেনের ছেলে তসলিম আলম লিটন তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শাহরিয়া মুন পাখিকে অপহরণের অভিযোগে বাঘারপাড়া থানায় তার ছেলে আহম্মেদ অন্তর, স্বামী রবিউল ইসলাম ও তাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তিনি দাবি করেন,প্রকৃতপক্ষে তার ছেলে আহম্মেদ অন্তরের সঙ্গে মুন পাখির পারিবারিক যোগাযোগের সূত্রে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পরিবার তা মেনে নেয়নি। একপর্যায়ে মুন পাখি তাদের বাড়িতে এসে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আলোচনা হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখে শর্তসাপেক্ষে মুন পাখিকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আন্না খাতুন বলেন, গত ৩ ডিসেম্বর মুন পাখি আবার তাদের বাড়িতে আসে এবং পরে তার ছেলে আহম্মেদ অন্তরের সঙ্গে বাড়ি থেকে চলে যায়। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে ছেলের কোনো যোগাযোগ নেই। “আমার ছেলে তাকে অপহরণ করেনি। তারপরও আমরা মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছি,”বলেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন,মামলার পর থেকে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ নিয়মিত তাদের বাড়িতে হানা দিচ্ছে এবং পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছে। মুন পাখিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার স্বামী রবিউল ইসলাম ইতোমধ্যে জেল খেটেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে থানার উপপরিদর্শক প্রসেনজিৎ-এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের বাড়িতে অভিযান চালায় বলে অভিযোগ করেন আন্না খাতুন। এ সময় বাড়িতে থাকা তার ছোট ছেলে বায়জিদকে বড় ছেলে অন্তরের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। কিছু জানাতে না পারায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।