
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন।
চাল আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড় করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয় কার্যদিবসে ১৫ টি চালানের মাধ্যমে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এর আগে গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
বেনাপোলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ছয় দিনে ৫৮টি ট্রাকে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানান তিনি।
বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৬দিনে ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 







































