শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝিকরগাছার রফিকুল হত্যা মামলায় ছয়জনের আদালতে আত্মসমর্পণ

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮
যশোর অফিস 
যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ছয় আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা শারমীন তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আত্মসমর্পণ নিতে আশা অভিযুক্তরা হলেন ঝিকরগাছা উপজেলার সোনাকুড় গ্রামের তমেজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হোসাইন সোহাগ,একই গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে তরিকুল ইসলাম,আমিনুর রহমানের ছেলে নাজমুল ইসলাম, হযরত আলীর ছেলে নুর ইসলাম,হোসেন আলীর ছেলে মাহাবুবুর রহমান ও মুনতাজের ছেলে দবির সরদার।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,রফিকুল ইসলাম মাদকসেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি মানসিক রোগীতে পরিণত হন। রফিকুল হাতে সবসময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘুরতেন। এর মধ্যে গত বছরের ২ জুলাই সকালে সোনাকুড় গ্রামের আজগার আলীর জামাতা জহর আলী তার শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে বাঁকড়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে জহিরের চায়ের দোকানের সামনে এলে হঠাৎ রফিকুল ইসলাম তার মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। এরপর স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে রফিকুল ইসলামকে দড়ি দিয়ে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় মামলা করেন রফিকুলের স্ত্রী নাসিমা বেগম। ওই মামলাটি তদন্ত করে এসআই হাদিউর রহমান আদালতে ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন। আত্মসমর্পণকারীরা এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়ায় বৃহস্পতিবার তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
জনপ্রিয়

যশোরে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ঝিকরগাছার রফিকুল হত্যা মামলায় ছয়জনের আদালতে আত্মসমর্পণ

প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
যশোর অফিস 
যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ছয় আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে বিচারক, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা শারমীন তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আত্মসমর্পণ নিতে আশা অভিযুক্তরা হলেন ঝিকরগাছা উপজেলার সোনাকুড় গ্রামের তমেজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হোসাইন সোহাগ,একই গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে তরিকুল ইসলাম,আমিনুর রহমানের ছেলে নাজমুল ইসলাম, হযরত আলীর ছেলে নুর ইসলাম,হোসেন আলীর ছেলে মাহাবুবুর রহমান ও মুনতাজের ছেলে দবির সরদার।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,রফিকুল ইসলাম মাদকসেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি মানসিক রোগীতে পরিণত হন। রফিকুল হাতে সবসময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘুরতেন। এর মধ্যে গত বছরের ২ জুলাই সকালে সোনাকুড় গ্রামের আজগার আলীর জামাতা জহর আলী তার শ্বশুরবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে বাঁকড়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে জহিরের চায়ের দোকানের সামনে এলে হঠাৎ রফিকুল ইসলাম তার মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। এরপর স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে রফিকুল ইসলামকে দড়ি দিয়ে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় মামলা করেন রফিকুলের স্ত্রী নাসিমা বেগম। ওই মামলাটি তদন্ত করে এসআই হাদিউর রহমান আদালতে ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন। আত্মসমর্পণকারীরা এ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়ায় বৃহস্পতিবার তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।