রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ, দুজনের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে প্রশাসন। শুক্রবার সকালে যমুনা নদীর মেঘাই ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপ ভ্যান থেকে মাংস জব্দ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, চরাঞ্চলে আটটি ঘোড়া জবাই করে মাংস ঢাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ভাঙ্গা গ্রামের কাউসার আলী পলাশ (৩৫) ও শরিফুল ইসলাম (৪৫)। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে দুই মাসের কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা মাংস স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয় বিবেচনায় মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযানের সময় কাজিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, কাজিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ এবং কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কাজিপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালন

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ, দুজনের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৫:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে প্রশাসন। শুক্রবার সকালে যমুনা নদীর মেঘাই ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপ ভ্যান থেকে মাংস জব্দ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, চরাঞ্চলে আটটি ঘোড়া জবাই করে মাংস ঢাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ভাঙ্গা গ্রামের কাউসার আলী পলাশ (৩৫) ও শরিফুল ইসলাম (৪৫)। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে দুই মাসের কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা মাংস স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয় বিবেচনায় মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযানের সময় কাজিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, কাজিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ এবং কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কাজিপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।