রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় যশোরে পালিত হচ্ছে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে এবং হাতে ফুলের স্তবক নিয়ে হাজারো মানুষ স্মরণ করছেন ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের। রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথমেই শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

প্রতিমন্ত্রীর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক আশেক হাসান এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন প্রেসক্লাব যশোর সহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একে একে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান। এসময় সকলের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় একুশের কালজয়ী গান— “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।”

এদিকে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ।

জনপ্রিয়

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালন

যশোরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

প্রকাশের সময় : ০১:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় যশোরে পালিত হচ্ছে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করে এবং হাতে ফুলের স্তবক নিয়ে হাজারো মানুষ স্মরণ করছেন ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের। রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথমেই শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

প্রতিমন্ত্রীর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক আশেক হাসান এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন প্রেসক্লাব যশোর সহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একে একে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান। এসময় সকলের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় একুশের কালজয়ী গান— “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।”

এদিকে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ।