রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে চায় সরকার: নৌপরিবহন মন্ত্রী

মারুফ বাবু, মোংলা প্রতিনিধিঃ
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এ কথা বলেন।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমকে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক করার পরিকল্পনা করছে সরকার। বিগত সরকারের সময় মোংলা বন্দর নিয়ে হওয়া বিভিন্ন চুক্তি বাতিল হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চুক্তিগুলো আমরা স্টাডি করব। যদি দেশের স্বার্থ রক্ষা হয় এবং আমাদের জন্য সহায়ক হয়, তাহলে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করে কার্যকর রাখা হবে।
জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করলে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সফল সামুদ্রিক বন্দরে পরিণত করা সম্ভব। বর্তমানে রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকলেও তা আরও আধুনিক ও গতিশীল করা প্রয়োজন। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে মোংলা বন্দরকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
কিছু অবকাঠামোগত সুবিধা বাস্তবায়ন করা গেলে মোংলা বন্দরকে সক্ষম ও সফল বন্দরে রূপান্তর করা সম্ভব। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই বন্দরের ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে বলেও জানান তিনি
এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌ পরিবহণ মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, উপ-পরিচালক মাকরুজ্জামান সহ বন্দরের পদস্থ কর্মকর্তারা এবং বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালন

মোংলা বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে চায় সরকার: নৌপরিবহন মন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মারুফ বাবু, মোংলা প্রতিনিধিঃ
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এ কথা বলেন।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমকে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক করার পরিকল্পনা করছে সরকার। বিগত সরকারের সময় মোংলা বন্দর নিয়ে হওয়া বিভিন্ন চুক্তি বাতিল হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চুক্তিগুলো আমরা স্টাডি করব। যদি দেশের স্বার্থ রক্ষা হয় এবং আমাদের জন্য সহায়ক হয়, তাহলে সেগুলো পুনর্বিবেচনা করে কার্যকর রাখা হবে।
জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করলে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সফল সামুদ্রিক বন্দরে পরিণত করা সম্ভব। বর্তমানে রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকলেও তা আরও আধুনিক ও গতিশীল করা প্রয়োজন। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে মোংলা বন্দরকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
কিছু অবকাঠামোগত সুবিধা বাস্তবায়ন করা গেলে মোংলা বন্দরকে সক্ষম ও সফল বন্দরে রূপান্তর করা সম্ভব। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই বন্দরের ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে বলেও জানান তিনি
এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌ পরিবহণ মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, উপ-পরিচালক মাকরুজ্জামান সহ বন্দরের পদস্থ কর্মকর্তারা এবং বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।