
নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এ আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা তার সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
এর আগে সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে একটি অগ্রগামী ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে বাংলাদেশের অভিপ্রায় তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাইকমিশনার বলেন- আজকের বৈঠকে আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছি, আমরা বাংলাদেশে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। আমি এ বার্তা জানিয়েছি, আমরা সকল ক্ষেত্রে জনমুখী সহযোগিতা জোরদার করতে চাই, পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যতমুখী হয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর এটি ছিল নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আমার প্রথম বৈঠক। তাই এটি মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং প্রাথমিক মতবিনিময় ছিল।
সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের প্রসঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্বাচনের পর থেকে বাংলাদেশে আমাদের সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ সম্পর্কে আপনারা অবগত আছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান। সেদিন তাদের মধ্যে ফোনালাপও হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন আমাদের লোকসভার স্পিকার, তিনি ভারতের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি চিঠি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন আমাদের স্পিকার।
প্রণয় ভার্মা বলেন, এসব যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশ-ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছি এবং বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার কথা জানিয়েছি। আমরা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছি।
নয়া দিল্লির অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে হাইকমিশনার বলেন, ভারত পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট খাতে গঠনমূলক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা আরো সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 







































