বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরভদ্রাসন উপজেলা জুড়ে বসন্তের আমেজ, আম্রকাননে সোনালি মুকুলের সমারোহ

সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
শীতের বিদায় ঘণ্টা পেরিয়ে ফাল্গুনের নরম রোদ আর হালকা বাতাসে চরভদ্রাসন উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বসন্তের আমেজ। উপজেলার গ্রামাঞ্চল সেজে উঠেছে আম্রকাননের সোনালি মুকুলে। চারদিকে ভেসে বেড়াচ্ছে আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাস, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে জাগাচ্ছে নতুন ঋতুর উচ্ছ্বাস।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাড়ির আঙিনা, পাড়া-মহল্লা ও বিস্তীর্ণ বাগানে আমগাছগুলোতে এখন ঝুলছে হলুদাভ মুকুলের থোকা। সকালে শিশিরভেজা মুকুলে রোদের ঝিলিক আর মৌমাছির গুঞ্জন মিলিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। স্থানীয়রা জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে মুকুল এসেছে বেশ ভালো, যা আমের ফলন বৃদ্ধির আশা জাগাচ্ছে।
কৃষকদের ভাষ্য, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুলের পরিমাণ বেশি। তবে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে বাগানগুলো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাই গাছের পরিচর্যায় বাড়তি নজর দিচ্ছেন তারা। প্রয়োজনীয় কীটনাশক প্রয়োগসহ নিয়মিত তদারকি করছেন বাগানগুলোতে।
বিকেলের দিকে প্রকৃতির এই রূপ উপভোগ করতে অনেকেই গ্রামাঞ্চলের পথে বের হচ্ছেন। তরুণ-তরুণীরা ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বসন্তের রঙিন বার্তা। আমের মুকুল ঘিরে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও তৈরি হয়েছে ইতিবাচক প্রত্যাশা। ভালো ফলন হলে বাজারে আমের সরবরাহ বাড়বে, লাভবান হবেন চাষিরা।
সব মিলিয়ে ফরিদপুর জেলার এই জনপদে আমের সোনালি মুকুল যেন বসন্তের আগমনী বার্তা হয়ে ধরা দিয়েছে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ চরভদ্রাসনের মানুষ এখন আশাবাদী—সমৃদ্ধ ফলনে ভরে উঠবে বাগান, হাসবে কৃষকের মুখ।
জনপ্রিয়

ইরান কোনো পরিস্থিতিতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চরভদ্রাসন উপজেলা জুড়ে বসন্তের আমেজ, আম্রকাননে সোনালি মুকুলের সমারোহ

প্রকাশের সময় : ০৪:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
শীতের বিদায় ঘণ্টা পেরিয়ে ফাল্গুনের নরম রোদ আর হালকা বাতাসে চরভদ্রাসন উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বসন্তের আমেজ। উপজেলার গ্রামাঞ্চল সেজে উঠেছে আম্রকাননের সোনালি মুকুলে। চারদিকে ভেসে বেড়াচ্ছে আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাস, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে জাগাচ্ছে নতুন ঋতুর উচ্ছ্বাস।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাড়ির আঙিনা, পাড়া-মহল্লা ও বিস্তীর্ণ বাগানে আমগাছগুলোতে এখন ঝুলছে হলুদাভ মুকুলের থোকা। সকালে শিশিরভেজা মুকুলে রোদের ঝিলিক আর মৌমাছির গুঞ্জন মিলিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। স্থানীয়রা জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে মুকুল এসেছে বেশ ভালো, যা আমের ফলন বৃদ্ধির আশা জাগাচ্ছে।
কৃষকদের ভাষ্য, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুলের পরিমাণ বেশি। তবে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে বাগানগুলো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাই গাছের পরিচর্যায় বাড়তি নজর দিচ্ছেন তারা। প্রয়োজনীয় কীটনাশক প্রয়োগসহ নিয়মিত তদারকি করছেন বাগানগুলোতে।
বিকেলের দিকে প্রকৃতির এই রূপ উপভোগ করতে অনেকেই গ্রামাঞ্চলের পথে বের হচ্ছেন। তরুণ-তরুণীরা ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বসন্তের রঙিন বার্তা। আমের মুকুল ঘিরে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও তৈরি হয়েছে ইতিবাচক প্রত্যাশা। ভালো ফলন হলে বাজারে আমের সরবরাহ বাড়বে, লাভবান হবেন চাষিরা।
সব মিলিয়ে ফরিদপুর জেলার এই জনপদে আমের সোনালি মুকুল যেন বসন্তের আগমনী বার্তা হয়ে ধরা দিয়েছে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ চরভদ্রাসনের মানুষ এখন আশাবাদী—সমৃদ্ধ ফলনে ভরে উঠবে বাগান, হাসবে কৃষকের মুখ।