বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোজায় পানিশূন্যতার ভয়, সুস্থ থাকবেন যেভাবে

ছবি-সংগৃহীত

রোজায় হাইড্রেটেড থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রমজান মাসে বেশিরভাগ রোজাদারের ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের খাবার বা পানি গ্রহণ না করার ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কিছুটা পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে আপনি কিছু বিষয়ে সচেতন হলে রোজায় পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে পানিশূন্যতা রোধে কী করবেন-

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সেহরিতে কমপক্ষে ১-২ গ্লাস পানি পান করুন। কেবল ইফতারেই নয়, বরং রাতে যতটা সময় জেগে থাকবেন, কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করুন। তবে খাবার খাওয়ার মধ্যে বা সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর পানি পান করবেন না। এতে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বরং খাবার খাওয়া ও পানি পানের মধ্যে অন্তত বিশ মিনিটের বিরতি রাখুন।

যেসব খাবার বেশি খাবেন

শসা, লেটুস এবং ফলের এর মতো পানি সমৃদ্ধ খাবার খান। অতিরিক্ত হাইড্রেশনের জন্য স্যুপ এবং মসুর ডাল জাতীয় খাবারও খেতে পারেন। এছাড়া বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত, স্মুদি ইত্যাদিও খেতে পারেন। ডাবের পানি রাখতে পারেন ইফতারে। এতে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি আরও অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপদান পাওয়া যাবে।

ডিহাইড্রেশনের কারণ এড়িয়ে চলুন

কিছু খাবার শরীরে পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে। সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন তরল খাবার হলেও চা, কোমল পানীয় কিংবা কফি রমজানে না খাওয়া কিংবা কম খাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে প্রস্রাবও বৃদ্ধি করে। প্রক্রিয়াজাত, ভাজা এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিন, যা তৃষ্ণা জাগায়।

হালকা গরম পানি পান করুন

হালকা গরম পানি পান করার অনেক উপকারিতা রয়েছে। ইফতারে আপনার ঠান্ডা শরবত খেতে ইচ্ছা হতেই পারে, তবে শরীরের ভালো জন্য হালকা গরম পানিই বেছে নিন। এই পানি আপনাকে হজমে সাহায্য করবে এবং শরীরকে বরফ-ঠান্ডা পানির চেয়ে তরল পদার্থ ভালোভাবে শোষণ করতে সাহায্য করবে।

জনপ্রিয়

চরভদ্রাসন উপজেলা সদর বাজার ময়লার ভাগাড়ে পরিণত

রোজায় পানিশূন্যতার ভয়, সুস্থ থাকবেন যেভাবে

প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোজায় হাইড্রেটেড থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রমজান মাসে বেশিরভাগ রোজাদারের ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের খাবার বা পানি গ্রহণ না করার ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কিছুটা পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে আপনি কিছু বিষয়ে সচেতন হলে রোজায় পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে পানিশূন্যতা রোধে কী করবেন-

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সেহরিতে কমপক্ষে ১-২ গ্লাস পানি পান করুন। কেবল ইফতারেই নয়, বরং রাতে যতটা সময় জেগে থাকবেন, কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করুন। তবে খাবার খাওয়ার মধ্যে বা সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর পানি পান করবেন না। এতে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বরং খাবার খাওয়া ও পানি পানের মধ্যে অন্তত বিশ মিনিটের বিরতি রাখুন।

যেসব খাবার বেশি খাবেন

শসা, লেটুস এবং ফলের এর মতো পানি সমৃদ্ধ খাবার খান। অতিরিক্ত হাইড্রেশনের জন্য স্যুপ এবং মসুর ডাল জাতীয় খাবারও খেতে পারেন। এছাড়া বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত, স্মুদি ইত্যাদিও খেতে পারেন। ডাবের পানি রাখতে পারেন ইফতারে। এতে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি আরও অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপদান পাওয়া যাবে।

ডিহাইড্রেশনের কারণ এড়িয়ে চলুন

কিছু খাবার শরীরে পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে। সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন তরল খাবার হলেও চা, কোমল পানীয় কিংবা কফি রমজানে না খাওয়া কিংবা কম খাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে প্রস্রাবও বৃদ্ধি করে। প্রক্রিয়াজাত, ভাজা এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিন, যা তৃষ্ণা জাগায়।

হালকা গরম পানি পান করুন

হালকা গরম পানি পান করার অনেক উপকারিতা রয়েছে। ইফতারে আপনার ঠান্ডা শরবত খেতে ইচ্ছা হতেই পারে, তবে শরীরের ভালো জন্য হালকা গরম পানিই বেছে নিন। এই পানি আপনাকে হজমে সাহায্য করবে এবং শরীরকে বরফ-ঠান্ডা পানির চেয়ে তরল পদার্থ ভালোভাবে শোষণ করতে সাহায্য করবে।